দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লালমনিরহাটে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দুর্নীতির প্রতিবাদে ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে মিশন মোড়ে ‘দুর্নীতিমুক্ত লালমনিরহাট চাই’ কমিটির উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
তবে কর্মসূচি শুরু হওয়ার পরই জনতা ও সাংবাদিকদের মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়, যখন উপস্থিত থাকেন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) বর্তমান অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. আইনুল হক। তিনি আগে আর্থিক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে বরখাস্ত হন এবং কুড়িগ্রাম ও বর্তমানে লালমনিরহাটে যোগদানের পরও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। লালমনিরহাটের নাগরিক আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া প্রত্যেক সচেতন মানুষ স্বাভাবিক, কিন্তু একজন স্বীকৃত দুর্নীতিবাজকে সঙ্গে নিয়ে মানববন্ধন করা হাস্যকর ও লজ্জাজনক।’
সিনিয়র সাংবাদিক জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না বলেন, ‘যিনি বরখাস্ত হয়েছেন এবং এখনও অভিযুক্ত, তিনি যখন দুর্নীতিমুক্ত লালমনিরহাটের দাবিতে দাঁড়ান, পুরো বিষয়ই প্রশ্নবিদ্ধ হয়। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।’
মানববন্ধন কমিটির সভাপতি জাকিউল হাসান সিদ্দিক রাসেল জানান, অধ্যক্ষের অতীত কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের জানা নেই। তিনি নিজে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তবে কমিটির নীতিমালা অনুযায়ী তারা সকল প্রকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবিতে ছিলেন।
কর্মসূচিতে বক্তারা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে সিন্ডিকেট ও অনিয়ম নির্মূলে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ দাবি করেন। তবে বিতর্কিত কর্মকর্তার উপস্থিতি জনমতের ক্ষোভ ও সমালোচনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এমএস/