দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের আহমেদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিনকে তার গ্রাম ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের জান্দিতে দাফন করা হয়েছে। তবে এ সময় তার স্ত্রী ও সন্তানদের কেউ সেখানে ছিলেন না।
বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১ মিনিটে রাজশাহী কারাগারে ফাঁসি কার্যকর করা হয় দুই আসামি ড. মিয়া মহিউদ্দিন ও কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর আলমের। সেখানে রাত সাড়ে ১১টার দিকে পরিবারের পক্ষে মিয়া মহিউদ্দিনের ভাই আরজু মিয়া মরদেহ গ্রহণ করেন। এরপর দুটি পুলিশ ভ্যানে ভোর পৌনে ৬টার দিকে মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি পৌঁছানো হয়।
তুজারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওলিউর রহমান জানান, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জান্দি গ্রামের মিয়া বাড়ি জামে মসজিদের পাশে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে তার বাড়ির উঠানে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় গ্রামের লোকজন অংশ নেন।
এদিকে সকালে মিয়া মহিউদ্দিনের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছার খবর পেয়ে মূর্ছা যান তার শত বছর বয়সী মা সেতারা বেগম। গ্রামের মানুষ, মিয়া মহিউদ্দিনের শিক্ষক ও ছোটবেলার সহপাঠীরা মরদেহ দেখতে যান বাড়িতে।
মহিউদ্দিনের ভাই আরজু মিয়া জানান, তার বড় ভাই মিয়া মহিউদ্দিনের স্ত্রী ও সন্তানরা অসুস্থ থাকায় মরদেহ দাফন করতে আসতে পারেননি।
তিনি বলেন, ‘যা হবার তা হয়ে গেছে। এখন আর বলার কিছু নাই।’
অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলার ৪ নম্বর আসামি ছিলেন ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। তিনি ইয়াফি ও ইউসি নামে এক ছেলে ও এক মেয়ের বাবা। তার বাবা মরহুম আব্দুল মান্নান মিয়া খুলনা জুট মিলে চাকরি করতেন। ১৯৮১ সালে তিনি ভাঙ্গা কেএম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূ-তত্ত্ব ও খনি বিদ্যা বিভাগে ভর্তি হন।
জেবি