দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গোপালগঞ্জের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ। তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।
আজ বুধবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আদ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ, দৃষ্টি সীমা ৪০০ মিটার। যা ছিল এ মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। গত দুইদিন ধরে পুরো জেলায় দেখা নেই সূর্যের।
ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে দিচ্ছে দ্বিগুণ। সাধারণ মানুষ বলছে, এমন শীতের কবলে পড়েনি আগে কখনো তারা।
আর এই তীব্র শীতে সব থেকে বেশি অসুবিধায় পড়ছেন নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা। চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষদের। তাদেরকে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করেই জীবিকার তাগিদে কাজ করতে বের হতে হচ্ছে।
তীব্র শীতে ব্যাহত হচ্ছে বোরো ধান রোপণ। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বীজতলা, শীতে হলুদ হওয়ার পাশাপাশি কুকরে যাচ্ছে চারা। এমনকি ফসলের ক্ষেতে বেড়েছে পোকার আক্রমণ।
এদিকে ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ভিড় বাড়ছে বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে। যাতে বেশিরভাগই আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধ বয়সীরা।
আবহাওয়া অফিস বলছে, এমন পরিস্থিতি থাকতে পারে আরও কয়েকদিন।
আরএ