দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুড়িগ্রামে প্রতিদিনই বাড়ছে শীতের প্রকোপ। সঙ্গে কমছে তাপমাত্রা। গভীর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে পুরো জেলা। দেরিতে সূর্যের দেখা মেলায় শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠছে সাধারণ মানুষের জীবনে।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এছাড়াও গত এক সপ্তাহ ধরে জেলার তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোরের দিকে ঘন কুয়াশার কারণে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। সড়কে চলাচলকারী যানবাহনকে ধীরে চলতে দেখা গেছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, রিকশাচালক ও নিম্নআয়ের শ্রমজীবীরা। অনেকেই তীব্র শীতের কারণে সময়মতো কাজে বের হতে পারছেন না। এর ফলে তাদের দৈনন্দিন আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এদিকে, শীতের প্রভাবে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সর্দি-কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীর চাপ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তারা শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন।
রাজারহাট উপজেলার নাজিম খান ইউনিয়নের বাচ্চু মিয়া বলেন, গত কয়েকদিন ধরে সেই ঠান্ডা। ঘর থেকে বাহির হওয়া যায় না। কাজও করা যাচ্ছে না। আমরা বয়স্ক মানুষগুলো খুব কষ্টে পড়ছি।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে এবং শীতের তীব্রতা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
শীতের এই সময়ে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
আরএ