দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের ১৬ শত ম্যাগাজিন রাখার প্রসেস (বাউন্ডলি)সহ তিন পাচারকারীকে আটক করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা এসব অস্ত্র সরঞ্জাম বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছে সরবরাহের কথা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।
আটকরা হলেন, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের কম্বনিয়া এলাকার নুরুল আলমের ছেলে মো. শাহজাহান (২৫), একই ইউনিয়নের আশারতলী এলাকার মো. বদিউজ্জামানের ছেলে মো. ইলিয়াছ (১৯) এবং ঘিলাতলী এলাকার এম এ সামাদের ছেলে আতিকুর রহমান (২৫)।
ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, বুধবার মধ্যরাতে রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের চা-বাগান এলাকা দিয়ে যানবাহনের মাধ্যমে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছে আগ্নেয়াস্ত্রের সরঞ্জাম পাচারের গোপন সংবাদ পায় পুলিশ। এ তথ্যের ভিত্তিতে চা-বাগান এলাকায় আল-মদিনা নামের একটি খাবার রেস্তোরাঁর সামনে রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কে পুলিশের একটি অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি স্থাপন করা হয়।
তিনি বলেন, একপর্যায়ে চট্টগ্রাম দিক থেকে আসা নাইক্ষ্যংছড়িগামী একটি মিনিট্রাক তল্লাশি চৌকিতে পৌঁছালে পুলিশ সেটিকে থামার সংকেত দেয়। এ সময় গাড়িতে থাকা তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে তাদের আটক করা হয়।
পরে মিনিট্রাকটি তল্লাশি করে প্লাস্টিকের সাদা চটের ৩২টি ছোট বস্তা উদ্ধার করা হয়। বস্তাগুলো খুলে পাওয়া যায় ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের ম্যাগাজিন রাখার ১ হাজার ৬০০টি প্রসেস (বাউন্ডলি)। এ সময় মিনিট্রাকটিও জব্দ করা হয়।
ওসি আরও জানান, আটকরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে যে উদ্ধার করা ম্যাগাজিন প্রসেসগুলো নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছে সরবরাহের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ ঘটনায় আটকদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে রামু থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।