দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নওগাঁর মান্দায় ডিএনএ পরীক্ষায় সন্তানের পিতৃত্বের প্রমাণ মেলায় ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি কামরুল ইসলাম ওরফে মোকছেদকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
রোববার (৩০ নভেম্বর) সকালে নওগাঁ আদালত চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার কামরুল মান্দা উপজেলার শোভাপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে। সিআইডি সূত্র জানায়, একটি মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের প্রস্তাব ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল কামরুল।
মেয়েটি রাজি না হওয়ায় সে তাকে হুমকিও দেয়। একপর্যায়ে কিশোরীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৩০ জুলাই কামরুলের বাড়িতে সুযোগ পেয়ে আবারও তাকে ধর্ষণ করা হয়।
পরবর্তীতে কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ করে পরিবার স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করালে ২৫ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে রিপোর্ট আসে। বিষয়টি জানাজানি হলে পরিবারের পক্ষ থেকে কামরুলকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন।
এরপর কিশোরীর বাবা ২০২৪ সালের ২ জানুয়ারি মান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। শুরুতে থানার তদন্ত কর্মকর্তা কামরুলের সম্পৃক্ততা না পেয়ে তাকে অব্যাহতি দিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। বাদী এ রিপোর্টে নারাজী জানালে আদালত সিআইডিকে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন। সিআইডির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তোজাম্মেল হক বলেন, ভুক্তভোগীর বর্ণনার ভিত্তিতে ছয় মাস আগে কামরুলসহ তিনজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়।
গত ২৬ নভেম্বর ডিএনএ রিপোর্টে দেখা যায়, কিশোরীর নবজাতকের সঙ্গে কামরুলের ডিএনএ মিল রয়েছে। বিষয়টি জানাতে কামরুলকে সিআইডি অফিসে ডাকা হয়। রিপোর্টের বিষয়টি আঁচ করতে পেরে তিনি কৌশলে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে আদালত চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জে আই