দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীর মধ্যে মিলরেট নির্ধারণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৪ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১১টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডের একটি মেসে এই ঘটনাটি ঘটেছে।
আহতরা হলেন, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সজিব ও ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মনিরুল ইসলাম রোহান। এদের মধ্যে সজিব বর্তমানে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডে সাবেক এমপি হানিফের বাসার পাশের গলিতে অবস্থিত একটি মেসে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী একসঙ্গে থাকেন। মেসের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি মাসে ৪৫টি মিলের হিসাব ধার্য করা হয়। কিন্তু গত মাসে দুর্গাপূজার ছুটিতে অধিকাংশ শিক্ষার্থী বাড়িতে চলে যাওয়ায় মিলের সংখ্যা ৪৫ থেকে কমিয়ে ৪০ করার প্রস্তাব আসে।
মেসের মেসেঞ্জার গ্রুপে অনুষ্ঠিত ভোটে পাঁচজন সদস্য ৪০টি মিলের পক্ষে মত দিলেও সিনিয়র শিক্ষার্থী রোহান এতে আপত্তি জানান। তিনি ৪৫টি মিলের হিসাব অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে অবস্থান নেন। এ নিয়ে তার সঙ্গে জুনিয়র শিক্ষার্থী সজিবের কথা কাটাকাটি হয়, যা পরে ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।
আহত সজিব অভিযোগ করে বলেন, সিনিয়র ভাই হিসেবে রোহান একাধিকবার আমাকে মারতে তেড়ে আসে। পরে আমার রুমমেট নয়নের সঙ্গে কথা বলতে গেলে রোহান আমাকে ঘুষি মারে। চোখ থেকে রক্তপাত হচ্ছিল, তবু সে আমাকে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। টাইলসের কোণায় পা আঘাত করে। আমি ন্যায্য বিচার চাই।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সিনিয়র শিক্ষার্থী রোহান দাবি করেন, মিলের বিষয়ে কথা-কাটাকাটির পর আমি রুম থেকে চলে আসি। পরে নয়ন আর সজিব আমাকে মারতে আসে। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বাইরের ২০-২৫ জন ছেলেকে ডেকে তারা আমাকে মারধর করে। আমার আঙুল ফেটে গেছে। আমি নিরাপত্তাহীনতায় আছি এবং বিষয়টি বিভাগের সভাপতি ও প্রক্টর স্যারকে জানিয়েছি।
বাড়িওয়ালা তৌহিদ ইকবাল খান বলেন, আমার চোখে দুজনই সমানভাবে দোষ করেছে। ছোট একটা মিলের হিসাব নিয়ে হাতাহাতি থেকে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। আমি শান্ত করার চেষ্টা করলেও বাইরে থেকে ডাকা কিছু ছেলে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
এ বিষয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস জানায়, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাভঙ্গবিষয়ক বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/অ