দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে ফের ভেসে এলো একটি মৃত ডলফিন। প্রায় ৬ ফুট দীর্ঘ ইরাবতী প্রজাতির এই ডলফিনটির শরীরের চামড়া উঠে গেছে। ঘটনাস্থলে স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকদের ভিড় জমে যায়।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে সৈকতের পূর্বদিকে ঝাউবন এলাকায় ডলফিনটি দেখতে পান উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক কে এম বাচ্চু।
তিনি জানান, আগের তুলনায় ডলফিন মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমলেও নিয়মিত এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের পাশাপাশি গবেষণা সংস্থাগুলোকে আরও গভীর অনুসন্ধান করার আহ্বান জানান তিনি।
ডলফিনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ডলফিন শুধু সমুদ্রের প্রাণী নয়, এটি সমুদ্রের পরিবেশ ও ভারসাম্যের গুরুত্বপূর্ণ সূচক। ডলফিন রক্ষা মানে উপকূলের পরিবেশ রক্ষা করা।
ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক বখতিয়ার উদ্দিন জানান, এই ইরাবতী ডলফিনের শরীরে রক্তাক্ত দাগ রয়েছে। নৌযান, মাছ ধরার যন্ত্রপাতি ও জেলেদের কার্যক্রমই এর মৃত্যুর অন্যতম কারণ। এছাড়া নদী ও মোহনার দূষণ, শিল্পবর্জ্য, প্লাস্টিক ও তেল ডলফিনের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠছে। তিনি স্থানীয়দের সচেতন করা এবং ডলফিন অভয়ারণ্য এলাকায় জালের ব্যবহার সীমিত করার ওপর জোর দেন।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত কুয়াকাটায় ৬টি ডলফিনের দেখা মিলেছে। আমরা চাই সরকার দ্রুত মৃত্যুর সঠিক কারণ উদ্ঘাটন করুক।
বনবিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা কে এম মনিরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে তাদের টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ডলফিনটিকে মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করছে, যাতে দুর্গন্ধ ছড়াতে না পারে।
/অ