দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহের ভালুকায় এক নারী ও তার দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় ওই নারীর দেবর নজরুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। এতে অজ্ঞাত আরও ১-২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ জুলাই) রাতে ভালুকা মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলাটি করেন জহিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। জহিরুল হত্যাকাণ্ডের শিকার ময়না আক্তারের বড় ভাই।
সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহের ভালুকা পৌর শহরের পনাশাইল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে রফিকুল ইসলামের স্ত্রী ময়না আক্তার (২৫), তাদের মেয়ে রাইসা আক্তার (৭) ও ছেলে নীরব হোসেনের (২) গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ভাড়া বাসার দুটি রুমে স্ত্রী-সন্তান ও ছোট ভাই নজরুল ইসলামকে নিয়ে বসবাস করতেন রফিকুল ইসলাম। রফিকুল ইসলাম নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার সেনের বাজার গ্রামের সন্তু মিয়ার ছেলে। আর ময়না ভালুকা উপজেলার রাজৈর ইউনিয়নের পায়লাবর চৌরাস্তা গ্রামের আফতাব উদ্দিনের মেয়ে। রফিকুল ইসলাম ভালুকার রাসেল স্পিনিং মিলে শ্রমিকের চাকরি করেন।
জানা গেছে, ঘটনার রাতে রফিকুল ইসলাম ডিউটিতে গিয়ে সোমবার সকালে এসে ঘরের দরজায় তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে স্ত্রী-সন্তানদের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। দুই রুমের বাসার পাশের রুমে থাকা তার ছোট ভাই ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ। আড়াই মাস আগে ৪০ হাজার টাকা দেনা করে জেল থেকে ছাড়িয়ে এনেছিলেন রফিকুল। নজরুল গাজীপুরের একটি হত্যা মামলার আসামি হয়ে দুই বছর ধরে জেলে ছিলেন। ছাড়িয়ে আনার পর ভাইকে নিয়েই একসঙ্গে বসবাস করতেন।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ময়না আক্তারের বড় ভাই জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি করেছেন। এতে প্রধান আসামি করা হয়েছে রফিকুল ইসলামের ছোট ভাই নজরুল ইসলামকে। তাকে ধরার চেষ্টা চলছে।
আরএ