দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কম্পিউটার ব্যবসায়ী আলী আজম মানিকের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ভুক্তভোগী অভিযুক্ত নাসিম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্তের কঠিন শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নেটিজেনরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আলী আজম মানিক ঘিওর বাসস্ট্যান্ডে “মানিক কম্পিউটার” নামক একটি দোকান পরিচালনা করেন। অভিযুক্ত নাসিম ভূঁইয়া প্রায়ই ওই দোকানে বিভিন্ন কাজে যেতেন এবং বিল পরিশোধ না করে চলে যেতেন। টাকা চাইলে নাসিম দোকান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিতেন এবং ব্যবসা না করতে দেওয়ার জন্য ভয় দেখাতেন।
এরই জের ধরে সোমবার সন্ধ্যার পর দোকানে এসে কম্পিউটারে আবারও জরুরি কাজ করবেন বলে নাসিম জানায়। দোকানদার মালিক তখন অন্য কাস্টমারের কাজে ব্যস্ত থাকায় কিছু সময় অপেক্ষা করতে বলেন। এরপর রাত ৯টার দিকে ক্ষিপ্ত হয়ে নাসিম দোকানদার মালিকের দাঁড়ি ধরে টানাহেঁচড়া শুরু করেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ সময় মানিক গালাগাল থেকে বিরত থাকতে বললে অভিযুক্ত নাসিম তার ওপর এলোপাতাড়ি কিলঘুষি ও থাপ্পড় মারেন।
হামলায় মানিকের শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের জখম হয় এবং দাড়িতে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়। এ সময় তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও উপস্থিত কাস্টমাররা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে ঘিওর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, হামলার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি দোকানে থাকা একটি কম্পিউটারের মনিটর ভেঙে ফেলেন। যার আনুমানিক মূল্য ১৫ হাজার টাকা।
এ ব্যাপারে আলী আজম মানিক বলেন, ওই ব্যক্তি আমাকে দিয়ে বিভিন্ন সময় কম্পিউটারে কাজ করিয়েছেন, যার পারিশ্রমিক দেননি। তার কাছে টাকা চাওয়াতে ক্ষিপ্ত হয়ে যান এবং বাইরে গিয়ে তিনজন লোকের সঙ্গে পরামর্শ করে। তারপর পুনরায় দোকানে প্রবেশ করে আমার দাঁড়ি ধরে টান দেয় এবং মারধর করে। আমি সরকারের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করছি।
অভিযুক্ত নাসিম ভূঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে পরিদর্শক (তদন্ত) কোহিনুর মিয়া বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরএ