দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

স্বাধীনতা দিবসে জিলাপি বিক্রির ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাইজুল ইসলাম। এরপর থেকে বিভিন্ন মিডিয়ায় তাকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। প্রতিদিন তার বাড়িতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসছে উৎসুক জনতা। কেউ সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, আবার পারিবারিক অসচ্ছলতা দেখে কেউ কেউ দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। এসব প্রতিশ্রুতি ও টানা সাক্ষাৎকার দিতে দিতে তাইজুলের এখন দিশেহারা অবস্থা। দিনের স্বাভাবিক কাজ করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
তাইজুল জানান, প্রতিদিন এত মিডিয়া ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর আসে যে নিজের কাজ কিছুই করতে পারছি না। ঠিকমতো বিশ্রাম নিতেও পারছি না।
নাগেশ্বরীর নারায়ণপুর ইউনিয়নের ঢাকডহর সরকার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা তাইজুল ইসলাম তাজু। পেশায় একজন রাজমিস্ত্রির হেলপার। তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তাইজুল সবার বড়। বাবা ও মা শ্রবণ প্রতিবন্ধী। তাই তার আয়েই চলে পুরো সংসার। বাড়িভিটা না থাকায় অন্যের জমিতে দুটো টিনের ঘর তুলে গাদাগাদি করে থাকতে হয় তাদের।
গত দেড় বছরে প্রায় ১৪০টি ভিডিও করেছেন বলে জানান তাইজুল। তার তাজু ২.০ নামের ফেসবুক পেজটিতে ফলোয়ারের সংখ্যা ছিল ৩১ হাজার। ভাইরাল হওয়ার পর এখন প্রায় ৮ লাখে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, মিডিয়ায় আলোচিত হওয়ার পর থেকেই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন তাইজুল। সবাই এসে নানা ব্যক্তিগত প্রশ্ন করে। অনেকে আবার উপঢৌকন নিয়ে এসে রিলস বানায়। তাদের কিছুই বলতে পারছেন না তাইজুল। বাধ্য হয়ে তাদের সঙ্গে ভিডিও করছেন।
তাইজুল ইসলাম বলেন, চলতি বছরের ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের পাশে একটি জিলাপির দোকানে গিয়ে ভিডিও করেছিলাম। সেই ভিডিওটা দিয়েই আমি প্রথম ভাইরাল হই। কেউ ভিডিওটি বিনোদন হিসেবে প্রশংসা করেন, কেউবা ব্যঙ্গ করে মন্তব্য করেন। তবে ভিডিওটি প্রায় ৫ মিলিয়ন মানুষ দেখেন। এরপর থেকেই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছি।
এমএস/