দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নড়াইলের লোহাগড়ায় সালমা বেগম (৩০) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরের দিকে উপজেলার গাছবাড়িয়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর থেকে ওই গৃহবধূর স্বামী শহীদুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। সে লোহাগড়া উপজেলার গাছবাড়িয়া এলাকার সৈয়দ সাঈদুর রহমানের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ছয় মাস আগে লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া এলাকার সালাম মোল্যার ছেলে শহীদুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয় একই উপজেলার গাছবাড়িয়া এলাকার সাঈদুর রহমানের মেয়ে সালমা বেগমের। তবে স্বামীর প্রথম স্ত্রী থাকায় বিয়ের পরও শ্বশুরবাড়িতে যেতে পারেননি সালমা। এ কারণে বাপের বাড়ির এলাকা গাছবাড়িয়াতেই ঘর বেঁধে বসবাস করছিলেন তিনি। স্বামী শহীদুল মাঝেমাঝে রাতে এসে সেখানে থাকতেন, সকালে আবার চলে যেতেন।
গত বৃহস্পতিবার রাতেও সালমার বাড়িতে আসেন শহীদুল। রাতে সেখানেই ছিলেন। শুক্রবার সকালে পরিবারের লোকজন সালমার বাড়িতে গেলে সালমা বা তার স্বামী কাউকে দেখতে পাননি। একপর্যায়ে বেলা ১১ টার দিকে বাড়ির পাশের জঙ্গলের মধ্যে পড়ে থাকা সালমার লাশ দেখতে পায় এক প্রতিবেশি। খবর পেয়ে বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে পুলিশ সালমার মরদেহ উদ্ধার করে। এদিকে লাশ উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যরা পুলিশ নিয়ে শহীদুলের লাহুড়িয়ার বাড়িতে গেলে তিনি দৌঁড়ে পালিয়ে যান।
সালমার ছোট বোন আছমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, সকালে বাড়ির সামনে থেকে আপার লাশ পাওয়া গেছে। শহিদুলই আমার আপাকে মেরে রেখে পালিয়েছে। আমরা শহীদুলের ফাঁসি চাই। লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে। নারীর স্বামী পলাতক রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এফএইচ/