দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঈদের দিন সকালে বগুড়ায় নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলে নিহত হওয়ার ঘটনায় ঘাতক বাসচালককে গ্রেপ্তার করেছে হাইওয়ে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে গাজীপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সঙ্গে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল এলাকা থেকে জব্দ করা হয়েছে বাসটিও।
বুধবার (১১ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় বগুড়া হাইওয়ে পুলিশের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত ডিআইজি মো. শহিদ উল্লাহ।
প্রেস ব্রিফিং এ হাইওয়ে পুলিশের পক্ষে তিনি বলেন, ঈদের নামাজ আদায় করতে যাওয়ার পথে একসঙ্গে বাবা ছেলের মৃত্যুতে তারা নিজেরাও ব্যথিত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই ঘাতক পরিবহনকে শনাক্তে তারা কাজ শুরু করেছিলেন। অবশেষে প্রযুক্তি, সিসিটিভি ফুটেজ ও গোপন সোর্সের সহায়তায় শনাক্ত করা হয় জোয়ানা পরিবহনের একটি বাস, যার নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১৩-০৯০৯। ওই বাসটিই দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে ছিল বলে নিশ্চিত হয় পুলিশ। বাসটির চালক ছিলেন বরগুনার জসিম উদ্দিন ওরফে নানা। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অস্থায়ীভাবে থাকতেন তিনি। তাকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল এলাকা থেকে বাসটিও জব্দ করা হয়েছে জানান অতিরিক্ত ডিআইজি শহিদ উল্লাহ।
এর আগে, গত ৭ জুন সকাল ৭টার দিকে শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে বাস চাপায় নিহত হন হলেন মো. চাঁন মিয়া (৩৫) ও তার পাঁচ বছরের ছেলে মো. আবদুল্লাহ। ঈদের নামাজ পড়তে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন তারা। চাঁন মিয়া নিজেও পেশায় একজন বাসচালক ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন নাবিল পরিবহনে চাকরি করেছেন এবং দক্ষ শ্রমিক সংগঠক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এ ঘটনার পরদিন নিহতের বড় ভাই রাজা হোসেন শাজাহানপুর থানায় একটি মামলা করলে হাইওয়ে পুলিশের শেরপুর ক্যাম্প তার তদন্ত শুরু করেছিলেন।
এফএইচ/