দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জেলা সদর হাসপাতালের পাশেই গড়ে উঠেছে গ্রীন লাইফ হাসপাতাল। আর সেখানেই চিকিৎসার নামে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন জেলা প্রজন্ম লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা প্রদীপ বসু। নেই এমবিবিএস কিংবা বিডিএস ডিগ্রি, তবুও নামের আগে ‘ডাক্তার’ লিখে প্রতিদিনই দেখছেন সব রোগের রোগী।
বুধবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে গ্রীন লাইফ হাসপাতালে অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহসানুল হক।
অভিযানে দেখা যায়, প্রদীপ বসু নিজেকে নানা বিদেশি চমকপ্রদ ডিগ্রিধারী ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। ম্যাজিস্ট্রেটের জিজ্ঞাসাবাদে প্রদীপ বসু জানান, তার ডিএমএফ ডিগ্রি রয়েছে ও বিএমডিসির ‘ডি ক্যাটাগরী’ রেজিস্ট্রেশন নিয়েই রোগী দেখছেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, তার নেই স্বীকৃত এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রি।
তিনি দাবি করেন, সুপ্রীম কোর্টে একটি রিট দায়ের করেছেন ও সেই রিট বিচারাধীন অবস্থায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার অধিকার।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহসানুল হক বলেন, রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করে নিজেকে ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দেওয়া এবং ভুয়া ডিগ্রি প্রদর্শন করা গুরুতর অপরাধ। তাই বিএমডিসি আইন অনুযায়ী প্রদীপ বসুকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। সেইসঙ্গে তাকে সতর্কও করা হয়েছে।
অভিযানের সময় প্রদীপ বসু ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং নিজের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থাকে ‘হেনস্থা’ বলেও দাবি করেন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রদীপ বসুর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আগেও উঠেছিল। তবে রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে থেকে তিনি পার পেয়ে যান।
আরএ