দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ডাকাতি করাই নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পটুয়াখালীর বাউফলের প্রভাবশালী নেতা আমিনুল ইসলামের নেশা ও পেশা। রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে স্বর্ণ ডাকাতির চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জড়িত ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির ডিবি।
শনিবার (০৮ মার্চ) তাদের গণমাধ্যমের সামনে হাজির করা হয়।
গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে আমিনুল ইসলাম বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের নতুন ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার বাসিন্দা ইকবার মৃধার ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য আরেকজন হলেন সুমন মোল্লা। তিনি পাশের গ্রাম ‘আয়নাবাজ কালাইয়ার’ বাসিন্দা শাহজাহান মোল্লার ছেলে। তিনি ৪নং শ্রমিক দলের সহ-দপ্তর সম্পাদক।
ছাত্রলীগ নেতা আমিনুল এর আগে একাধিক ডাকাতির ঘটনায় সরাসরি নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিল। একের পর এক ডাকাতির ঘটনার পর জেলা পুলিশের কয়েকটি টিমের যৌথ তদন্তে আন্তঃবিভাগ ডাকাল দল শনাক্ত হয়। অভিযান চালিয়ে ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর আমিনুলসহ ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। ডাকাত দলকে আশ্রয় দেওয়াসহ অস্ত্রের যোগানদাতাও ছিলেন আমিনুল। একাধিক ডাকাতির নেতৃত্বেও ছিলেন তিনি। পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দিতে এ অভিযোগ স্বীকার করেছিল আমিনুল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দিনের আলোয় রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে ব্যস্ত থাকতেন আমিনুল ইসলাম। স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে পরিচিত ও প্রভাবশালী নেতা তিনি। এদিকে তার সঙ্গে সাবেক চিফ হুইপ ও পটুয়াখালী-২ আসনের সাবেক এমপি আ স ম ফিরোজ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক ফিরোজের ছেলে রায়হান সাকিব, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ আওয়ামী নেতার একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
পটুয়াখালী ও ঢাকায় দুইবার গ্রেপ্তারের সময় ডাকাত আমিনুল গংদের থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ইন্সপেক্টর আতিকুল ইসলাম জানান, আমিনুল পেশাদার ডাকাত। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
আরএ