দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে স্বামীকে গাছে বেঁধে তার স্ত্রীকে (১৮) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার ৬ দিন পর ২ ধর্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন তাদের মা-বাবা।
মঙ্গলবার রাতে পুলিশ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলভীবাজার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
গ্রেপ্তার আসমিরা হলো- মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা একরামুল হকের ছেলে রিয়াদ (৩০) ও মুছাপুর ক্লোজারের রেগুলেটর মোড়ের আলাউদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিন (২৮)।
তবে মামলার প্রধান আসামি মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নুর নবীর ছেলে জাহাঙ্গীরকে (৩৫) এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
এর আগে গত ১৪ জুন স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন ওই গৃহবধূ। এ ঘটনায় ১৮ জুন তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর স্বামী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৪ জুন নোয়াখালীর সুধারাম থানা এলাকা থেকে মোটরসাইকেলে করে মুছাপুরের রেগুলেটর এলাকায় ঘুরতে যান ওই নবদম্পতি। এ সময় জাহাঙ্গীর, রিয়াদ ও জালাল ছুরি-লাঠি নিয়ে তাদের ভয়ভীতি দেখায়। এরপর বাগানের ভেতরে নিয়ে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নববধূকে ধর্ষণ করে তারা। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়।
মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো.আইয়ুব আলী বলেন, ওই দু'জনকে তাদের পরিবারের সদস্যরা আটক করে। এরপর থানায় খবর দিলে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাদেকুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুই আসামিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। দু'জনই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাদেকুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুই আসামিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। দু'জনই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।