দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণঞ্জ, গাজীপুর ও নেত্রকোনা জেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
তারা হলো- মো. শরীফ হোসেন (২৬), মো. নাঈম আহম্মেদ (২২), মো. ইয়াসিন (২৪), মো. রাজন (২২), মো. হাসান (২১), মামুন মিয়া (২২) ও ইদ্রিস আলী (৫০)। এসময় গ্রেপ্তারকৃত ডাকাতদের হেফাজত হতে ডাকাতির ঘটনায় ব্যবহৃত ট্রাকটি জব্দ করা হয়।
দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২৯ জানুয়ারি বিকেলে রাজীব পরিবহন নামে একটি ট্রাকে ড্রাইভার জুয়েল মিয়া ও তার হেলপার আলম মিয়াসহ চট্টগ্রামের মীরশ্বরাই বারুইহাট বাজার থেকে ১৫ টন রডবোঝাই করে শেরপুর জেলার উদ্দেশে রওনা করেন। পরদিন ভোরে ময়মনসিংহের ত্রিশাল রায়মনি এলাকার পৌঁছামাত্র একটি খালি ট্রাক দিয়ে রড বোঝাইকৃত ট্রাকটি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ট্রাকটি থামায়।
পরে খালি ট্রাক থেকে ৫ জন ডাকাত ধারালো দা ও রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রড বোঝাইকৃত ট্রাকের ড্রাইভার জুয়েলকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং হেলপারকে ট্রাক থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে রডভর্তি ট্রাক নিয়ে চলে যায়। ডাকাতির ঘটনাটি ত্রিশাল থানা পুলিশ অবগত হওয়ার পর ব্যাপক পুলিশি তৎপরতায় ভালুকায় ধীতপুর বাওয়ারগ্রাম নামক স্থানে লুণ্ঠিত ট্রাক এবং ট্রাকে থাকা রড রেখে ডাকাতদল পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় রাজীব পরিবহনের ম্যানেজার মো. লুৎফর রহমান বাদী হয়ে ত্রিশাল থানায় অভিযোগ দায়ের করে।
মামলাটি রুজু হওয়ার পর ত্রিশাল থানা পুলিশের পাশাপাশি ডিবি পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করেন। পরে ডিবি পরপর দুই দিন অভিযান চালিয়ে নারায়ণঞ্জ, গাজীপুর ও নেত্রকোনা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতির পণ্য গ্রহণকারী একজন দোকানদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আরএ