দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় এক ইউপি সদস্যকে মারধর করে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যানের কার্যালয়ে তালা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল, ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে। প্রায় এক ঘণ্টা চেয়ারম্যান তার কক্ষে অবরুদ্ধ থাকার পর স্থানীয় বিএনপি নেতারা এসে তালা খুলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদে এই ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো.শামীম বলেন, আমি আওয়ামী লীগ সমর্থনকারী। কিন্তু অতীতে কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। এ জন্য গত ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পরও যথারীতি ইউনিয়ন পরিষদে এসে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করছি।
ইউপি সদস্য শামীম অভিযোগ করে আরও বলেন, দেড় মাস আগে আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে কৃষকদের জন্য সার আসে। সেখানে আমার ওয়ার্ডের ৪৫জন কৃষকের সার পাওয়ার তালিকায় নাম ছিল। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারী) সকালে গ্রাম পুলিশ ও যুবদল নেতা সোহেলের মাধ্যমে তালিকা অনুসারে ওই সার বিতরণ শুরু করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে একই ওয়ার্ডের যুবদল নেতা রানা,জাবেদ ও ছাত্রদল নেতা মহসিনসহ ১৫-২০জন ইউনিয়ন পরিষদে যায়। সেখানে তারা আমার কাছে জানতে চায় কার অনুমতি নিয়ে সার বিতরণ করছি। একপর্যায়ে গ্রাম পুলিশের কক্ষে ঢুকে আমাকে গালমন্দ করে মারধর করে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বের করে দেয়। কিছুক্ষণ পর গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন মিন্টুকে তার কার্যালয়ের ভেতরে রেখে দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো.হাবীবুর রহমান বলেন, সার বিতরণ নিয়ে হালকা একটা ঘটনা ঘটেছে। মেম্বার দলকে নিয়ে গালাগালি করলে একটু বাড়াবাড়ি হয়। তালা দিয়েছে, তালা আমি খুলে দিয়েছি। পুলিশ ও সেনবাহিনী ঘটনাস্থলে আসে। আলাপ আলোচনা হয়েছে, আমরা বসে শেষ করে দেব, সামান্য একটা ব্যাপার। তালা দেওয়ার ১০-১৫ মিনিট পর আমি তালা খুলে দিয়েছি। রানা ও মহসিন আমাদের দল করে। তবে জাবেদ নামে কাউকে আমি চিনি না।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়ে। এক মেম্বারের সঙ্গে স্থানীয় ছাত্রদল নেতার বাগবিতন্ডা হয়। এ নিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে বিচার নিয়ে যায় তারা। সেখানে চেয়ারম্যানের সঙ্গেও তাদের ভুলবুঝাবুঝি হয়। পরে স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ বিষয়টি সমাধান করে।
এফএইচ/