দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহের ভালুকায় এক নারী গার্মেন্টকর্মীকে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ার দুই দিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার (১৮ জুন) বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে তিনি মরা যান। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক জাকিউল ইসলাম। তিনি বলেন, মাথায় আঘাত পাওয়া ওই নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। আঘাত গুরুতর হওয়ায় তিনি আজ (রোববার) মারা যান।
ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে শুক্রবার রাতেই ওই নারীর এক ভাই বাদী হয়ে ভালুকা থানায় মামলা করেন। অভিযুক্ত বাসচালক রাকিব মিয়া (২১), চালকের সহকারী আনন্দ দাস (১৯) ও আরিফ মিয়াকে (২১) গতকাল শনিবার গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ভালুকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, হত্যাচেষ্টা মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে।
ভালুকা মডেল থানা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে উপজেলার হবির বাড়ির মায়ের মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাত ১১টার দিকে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরছিলেন ওই নারী। ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ার পর তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা বাসের দুই সহকারীকে আটক রেখে পুলিশে সোপর্দ করেন। তাঁরা ওই নারী শ্রমিককে উদ্ধার করে ভালুকা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বাসের দুই সহকারী হলো– ত্রিশাল উপজেলার কাশীগঞ্জ বাজার এলাকার রবিদাসের ছেলে আনন্দ দাস (১৯) ও একই উপজেলার রায়মনি এলাকার আরফান আলীর ছেলে আরিফ (২০)। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ত্রিশাল থানা এলাকা থেকে বাসের চালক রাকিবকেও (২১) গ্রেফতার করে পুলিশ। রাকিব টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার কুমারপাড়া এলাকার আমির হোসেনের ছেলে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে চালক ও তার দুই সহকারীর বিরুদ্ধে ভালুকা মডেল থানায় মামলা করেছেন। থানার ওসি কামাল হোসেন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা এ ঘটনার কথা স্বীকার করেছে।