দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ক্যারামবোর্ড খেলাকে কেন্দ্র করে মো. ফারুক ফকির (২৬) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি মামুন শিকদার (৩৫) নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক অশোক কুমার দত্ত এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত যুবক মামুন শিকদার গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বিশারী বাগজোলালমাঠ এলাকার ইউসুফ আলী শিকদারের ছেলে। তবে রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরন সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৬ এপ্রিল ভাঙ্গা উপজেলার পীরেরচর বাজারে ক্যারামবোর্ড খেলার সময় পাওনা ১০ টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মামুন শিকদারকে গালিগালাজ করেন নিহত মো. ফারুক ফকিরের ভাতিজা আক্তার ফকির। একপর্যায়ে মামুন শিকদার উত্তেজিত হয়ে আক্তারকে কিল-ঘুষি মারেন এবং চাকু দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন। এ সময় ভাতিজাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যায় ফারুক ফকির। তখন ফারুকের বুকে চাকু দিয়ে আঘাত করেন মামুন। একপর্যায়ে ফারুককে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে মামুন শিকদারকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয়রা। পরবর্তীতে ভাঙ্গা থানায় মামুন শিকদারসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত যুবক ফারুকের বাবা শাহজাহান ফকির। এ মামলায় মামুনকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং পরে তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন।
পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমদাদুল হক মিয়া প্রধান আসামি মামুন শিকদারের সম্পৃক্ততা পান। তদন্ত প্রতিবেদনে মামুনকে একমাত্র আসামি হিসেবে উল্লেখ করেন।
এর সত্যতা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. রকিবুল ইসলাম বিশ্বাস বলেন, একমাত্র আসামির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালতের বিচারক।
অ