দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভুয়া অনুষ্ঠান শিডিউল বানিয়ে অর্থ লোপাট, বিধি বহির্ভূত নিয়োগ বাণিজ্য, উপকরণ কেনাকাটায় দুর্নীতি, উন্নয়ন প্রকল্প থেকে কমিশন বাণিজ্যই ছিল বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের (সিটিভি) জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) নূর আনোয়ার হোসেনের মুখ্য কাজ। ১৮ জন মেধাবী প্রযোজক থাকার পরও দলীয় বিবেচনায় চুক্তিভিত্তিক অযোগ্য অতিথি প্রযোজক দিয়ে অনুষ্ঠান করিয়েছেন তিনি। অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে দৈনিক ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা লোপাট করেছেন তিনি।
সদ্য ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা প্রয়াত এইচ টি ইমামের আশির্বাদে এমন পোয়াবারো নূর আনোয়ার হোসেনের। এ ক্ষেত্রে তার পক্ষ হয়ে কাজ করেছে একটি সিন্ডিকেট। প্রযোজক ইয়াদ আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিথি প্রযোজক সাখাওয়াত হোসেন মিঠু এবং বৈদ্যনাথ অধিকারী অন্যতম।
ওই কমিটি গত রোববার অভিযোগকারী ১৪ কর্মকর্তার স্বাক্ষ্য নিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর সুপারিশের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। তিনি বলেন, জিএমকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর সত্যতা যাচাই করছে তদন্ত কমিটি। আগামী সপ্তাহ নাগাদ তদন্ত প্রতিবেদন পাবো। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র জানায়, জিএম নুর আনোয়ার ওই কেন্দ্রের অতিরিক্ত পরিচালককে (প্রশাসন) হুমকি দেন মুঠোফোনে। যার একটি অডিও ক্লিপ এই প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। অডিও ক্লিপে শুনতে পাওয়া যায়- ‘এই শুয়োরের বাচ্চা, লাথি দিয়ে তোকে বিদায় করে দেব।’
অন্যদিকে শারীরিক নির্যাতনসহ জীবনের হুমকির বিষয় তুলে ধরে জিডির অনুমতি চেয়ে মহাপরিচালক বরাবরে আবেদন করেন কেন্দ্রের অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ) মো. আতাউর রহমান। জিএম নূর আনোয়ার হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
আরএ