দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রেমের টানে জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে এসেছেন ইন্দোনেশিয়ার এক তরুণী। গত ১০ জুন জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার শাকিউল নামে এক যুবক ইন্দোনেশিয়ায় গিয়ে ঐ দেশের রীতি মেনে সেখানে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
ওই যুবক শাকিউল ইসলাম (২৯)। তিনি জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার কুসুমশহর গ্রামের আমিনুর ইসলামের ছেলে। আর তরুণীর নাম তারাডা বার্লিয়েন মেগানেন্দা (২৭)। তার বাবার নাম লাসিমিন। ইন্দোনেশিয়ার জাম্বি প্রদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন তারাডা বার্লিয়েন।
শাকিউলের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাকরির সুবাদে প্রায় ৫ বছর ধরে শাকিউল ঢাকায় থাকতেন। সেখানে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের ক্যাশিয়ার পদে কর্মরত রয়েছেন। ঢাকাতে থাকা অবস্থায় ইন্টারন্যাশনাল ভাষা শিক্ষা ফোরামের ‘স্পিকিং টুয়েন্টিফোর’ নামের একটি অনলাইন সাইটের মাধ্যমে শাকিউল ও তারাডা বার্লিয়েমের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দীর্ঘ ৫ বছর ধরে তাদের প্রেম চলে। গত ২ মাস আগে শাকিউল ইসলাম ইন্দোনেশিয়ায় যান। এ মাসের ১০ জুন ওই দেশের আইন ও রীতি মেনে সেখানে তাদের বিয়ে সম্পূর্ণ হয়।
এরপর মঙ্গলবার (১৮ জুন) বিকেলে নব দম্পতি কুশুমশহর গ্রামে শাকিউলের নিজ বাড়িতে আসেন। সেখানে তাদের দেখার জন্য এলাকার উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ জুন) এখানে তাদের বউভাত হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে শাকিউল ইসলাম বলেন, ইন্টারন্যাশনাল ভাষা শিক্ষা ফোরামের ‘স্পিকিং টুয়েন্টফোর’ নামের একটি অনলাইন সাইটের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়। সেখান থেকেই প্রেমের সম্পর্ক হয়। আমি তার দেশে গিয়ে ওই দেশের আইন ও রীতি মেনে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেছি। বৃহস্পতিবার আমার বাড়িতে ছোট করে বউ ভাতের আয়োজন করবো।
শাকিউলের প্রতিবেশী চাচা ও স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বাবলু বলেন, ভাতিজা শাকিউলের সঙ্গে বৌমা তারাডার সম্পর্ক ছিল। এরপর শাকিউল ওই দেশে গিয়ে বিয়ে করে এবং নতুন বউ বাড়ি নিয়ে এসেছে। গ্রামের লোকজন-আত্মীয়রা সকলেই ইন্দোনেশিয়ার মেয়েটিকে দেখতে যাচ্ছে। আমরা খুশি হয়েছি। তারা দাম্পত্য জীবনে সুখি হোক এই দোয়া করি।
আরএ