দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহের সদর উপজেলায় মামলা তুলে না নেওয়ায় রমজান আলী (৩৬) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে চাচার বিরুদ্ধে। এই ঘটনা নিহতের পিতা মোসলেম উদ্দিন আহত হয়েছেন।
বুধবার (৫ জুন) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রমজান আলীর মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (৪ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের পারাইল গ্রামে দুই পক্ষের মারামারির ঘটনা ঘটে। নিহত রমজান আলী ওই এলাকার মোসলেম উদ্দিনের ছেলে।
কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের বড় ভাই মঈন উদ্দিন বলেন, আমার বাবা মোসলেম উদ্দিন ও চাচা মজিবুর রহমান সহোদর ভাই। দুই ভাইয়ের মাঝে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ২০১৬ সালে নিহত রমজান আলী জমি নিয়ে বিরোধে চাচা মজিবুর রহমানের নামে আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় মজিবুর রহমান ও তার লোকজন কয়েক মাস কারাভোগ করেন। সম্প্রতি ওই মামলায় রায় দেওয়ার কথা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ওই মামলায় মঙ্গলবার আদালতে হাজিরা দেয় মজিবুর রহমান ও অন্যান্য আসামিরা। এদিন হাজিরা দিয়ে বের হয়ে বাড়িতে ফিরে মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি দেন চাচা মজিবুর রহমান। মামলা তুলে না নিলে হত্যার হুমকিও দেন মজিবুর রহমান। পরের ওই দিন দিবাগত রাতে রমজান আলী নিজের মাছের খামার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে মজিবুর রহমানসহ ১০/১২ জন রমজান আলীকে লাঠি ও রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। আহত অবস্থায় রমজানকে একটি পুকুরে ফেলে দেওয়ার সময় তার বাবা মোসলেম উদ্দিন ফেরাতে যায়। এসময় মোসলেম উদ্দিনকেও কুপিয়ে আহত করে। পরে তাদের ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে মজিবুর রহমান ও তার লোকজন পালিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা রমজান আলী ও তার বাবা মোসলেম উদ্দিনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রমজান আলী মারা যায়।
ওসি মাইন উদ্দিন বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।
আরএ