দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। সমস্থ জটিলতা কাটিয়ে ভিসা পেয়েছেন ঝিনাইদহের এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।
সোমবার (৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় তিনি ভিসা হাতে পান। একই সঙ্গে ভিসা পেয়েছেন এমপি আনারের পিএস আব্দুর রউফ। এখন তদন্তকারী গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশনা পেলে তারা ভারতে রওনা হবেন। তবে সেই ক্ষেত্রে তদন্ত দলের একটি টিম তাদের সঙ্গে যাবেন বলে জানা গেছে।
এমপি আনারের পিএস আব্দুর রউফ বলেন, সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় তিনি ও এমপির কন্যা ডরিন একসঙ্গে ঢাকার ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র থেকে ভিসা সংগ্রহ করেছেন। এর আগে গত ৩০ মে পর্যন্ত তারা ভিসা না পাওয়ায় ১ জুন ঝিনাইদহ থেকে ঢাকা যান। ঢাকায় তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে আলোচনার পর রোববার তারা ভারতীয় দূতাবাস থেকে ভিসা সংগ্রহের ম্যাসেজ পান।
আব্দুর রউফ আরও বলেন, এমপি আনারের বড় ভাই আবেদ আলী তাদের সঙ্গে কলকাতা যাবেন। তার আগে থেকেই ভারতের ভিসা রয়েছে। তবে একসঙ্গে যাবেন বলে তিনিও অপেক্ষায় রয়েছেন।
এমপি আনারের পিএস বলেন, আমরা ভিসা পেয়েছি ফলে এখন যেকোনো মুহূর্তে যাওয়ার প্রস্তুতি আছে। আমরা এখন সবাই ঢাকায় অবস্থান করছি। ভারতে গোয়েন্দা সংস্থা গত ২৮ মে পাওয়া মাংসের টুকরার ফরেনসিক রিপোর্ট পাওয়ার পর ডিবিকে অবহিত করবেন। এরপর তদন্ত টিমের সঙ্গে তারা ভারতে যাবেন এমনটাই তাদের জানানো হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
দুই দেশের গোয়েন্দাদের ভাষ্য মতে, কলকাতার নিউ টাউনে সঞ্জিভা গার্ডেনসের যে ফ্ল্যাটে আনারকে হত্যা করা হয়েছে, তার সেপটিক ট্যাংক থেকে গত ২৮ মে উদ্ধার করা হয়েছে কিছু মাংসের টুকরা। সেগুলো এমপি আনারের কি না, তা জানতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য তার রক্তের সম্পর্কীয় স্বজনদের সেখানে যাওয়া প্রয়োজন। আর সেই উদ্দেশে এমপি আনার কন্যা ডরিন, তার বড় চাচা আবেদ আলীকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তদন্ত টিম। তার আগেই এমপি আনারের নিহত হওয়ার সংবাদ পেয়ে গত ২২ মে ডরিন ও রউফ ভিসার জন্য ভারতীয় দূতাবাসে আবেদন করেছিলেন।
আরএ