দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সদ্য সমাপ্ত যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মুকুলসহ ছয়জনের ৬ জনের নামে মামলা হয়েছে।
সোমবার (৩ জুন) বিকেলে যশোর জুডিসিয়াল মাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন ঝিকরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম।
মামলাটি আমলে নিয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদুর রহমান পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আশিকুর রহমান আশিক।
মামলার আসামিরা হলেন- ঝিকরগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মুকুল, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও সদ্য সমাপ্ত উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী সেলিম রেজা, পৌর শহরের আকিবুল হোসাইন, মাহাবুর হাসান বরি, বল্লা গ্রামের আজহারুল ইসলাম মিথুন এবং বাঁকড়া গ্রামের আব্দুল জব্বার।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, সদ্য শেষ হওয়া ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন মনিরুল ইসলাম ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম রেজা। গত ১৯ মে উপজেলার বাকড়া বাজারে নির্বাচনি পথসভায় সেলিম রেজা এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মুকুল চেয়ারম্যান প্রার্থী মনিরুল ইসলামকে নিয়ে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য দেয়। তারা বক্তব্যকালে চেয়ারম্যান প্রার্থী মনিরুল ইসলামকে মাদকসেবনকারী ও মাদক ব্যবসায়ী বলে আখ্যা দেন। পরবর্তীতে সেই বক্তব্য অন্যান্য আসামিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করে। যা জনপ্রতিনিধি মনিরুল ইসলামের মানহানি হয়েছে।
যশোর জর্জ কোর্টের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আশিকুর রহমান বলেন, ‘মামলার আরজি আমলে নিয়ে বিচারক যশোর পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।’
মামলার আসামি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মুকুল বলেন, ‘মনিরুল ইসলাম চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনের আগে প্রচার-প্রচারণাতে আমরা তাকে নিয়ে ভালো মন্দ কথা বলেছি। ভোটাদের কাছে তার বিভিন্ন সমালোচনা ব্যাখা করে বক্তব্য দিয়েছি। এক প্রার্থী আরেক প্রার্থীর সমালোচনা করবে এটাই নির্বাচনে চিরায়তরীতি। নির্বাচনের পরে তো কোনো কথা বলেনি। এই মামলা রাজনীতিকভাবে উদ্দেশ্যমূলক। আমাকে রাজনীতিতে হেয় করার জন্য এই মামলা করা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, ৬ষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপের ২১ মে ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনিরুল ইসলাম আনারস প্রতীক ও সেলিম রেজা ঘোড়া প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনিরুল ইসলাম বিজয়ী হন।
আরএ