দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে জালভোট দিতে গিয়ে আটক হয়েছেন এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর এজেন্ট। বুধবার (৮ মে) বিকেল তিনটার দিকে মদনপুর ইউনিয়নের লাউসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
আটক যুবকের নাম মো. ইমন। সে কেন্দ্রটিতে দোয়াত-কলম প্রতীকের প্রার্থী এম এ রশীদের পোলিং এজেন্ট হিসেবে সেখানে ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন সাগর বলেন, ‘ওই যুবক জালভোট দিতে গিয়ে ধরা পড়েছেন। প্রিসাইডিং অফিসার তাকে পরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। তার কাছে ব্যালট সদৃশ পেপার পাওয়া গেছে।
প্রিসাইডিং অফিসার জানিয়েছেন, ওই যুবক দোয়াত-কলম প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট ছিলেন। তাকে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আটককৃত প্রার্থীর এজেন্টের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট লাইলতুল হোসেন। তিনি বলেন, জাল ভোট দেয়ার অভিযোগে আটক যুবককে শাস্তির আওতায় আনা হবে।
দোয়াত-কলম প্রতীকে এ উপজেলায় লড়ছেন বর্তমান চেয়ারম্যান ও বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ রশিদ।
এর আগে এই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থনে স্থানীয় ছাত্র লীগের বন্দর ইউনিয়নের কুশিয়ারায় হাজী আব্দুল মালেক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে জটলা সৃষ্টি করে। বেলা সাড়ে এগারোটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত কিছুক্ষণ পরপর এ বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়, এতে ভোট দিতে আসা ভোটারা আতংক হয়ে পড়ে। কেন্দ্রটির আশেপাশ থেকে প্রার্থীদের সমর্থকদের সরিয়ে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
এই চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিপরীতে আছেন তিন প্রতিদ্বন্দ্বী। তারা হলেন, চিংড়ি প্রতীকে আতাউর রহমান মুকুল, আনারস প্রতীকে মাকসুদ হোসেন ও হেলিকপ্টার প্রতীকে মাহমুদুল হাসান শুভ।