দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রমজানে বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে জয়পুরহাটে প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করছেন না ব্যবসায়ীরা।
আদা প্রতি কেজি ২০০ টাকার নির্ধারণ থাকলেও বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়, সয়াবিন তেল কেজি ১৪৯ টাকার পরিবর্তে ১৬৫ টাকা, বেগুন ৪০ টাকার পরিবর্তে ৬০ টাকা পর্যন্তসহ অন্যান্য পণ্যের দামও ইচ্ছেমত নিচ্ছেন দোকানিরা। রমজান উপলক্ষে নতুন দামের তালিকা টাঙানো নির্দেশ থাকলেও দোকানরা টাঙিয়ে রাখেননি।
বিভিন্ন বাজারের দোকানিরা বলছেন, বেশি দামে মহাজনের কাছ থেকে পণ্য কিনতে হচ্ছে। তাই ক্রেতাদের কাছে খুচরা বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে।
সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, তিন দিন আগেও শসা ৩০ টাকা কেজি ছিল এখন তা ৬০ টাকা। এছাড়া এবার সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে খেজুরের। ৫০০ টাকা কেজির কমে ভালোমানের কোনো খেজুর নেই। এরকম অনেক জিনিসের দামই বেশি। তাই সরকারের কঠোর মনিটরিং ছাড়া বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে না।
এদিকে মঙ্গলবার শহরের নতুনহাটে বেশি দামে আদা ও বেগুন বিক্রি হওয়ায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ সময় ম্যাজিস্ট্রেটকে দেখেই পাইকারি ব্যবসায়ীরা ২০০ টাকার পরিবর্তে ১৮০ টাকা কেজিতে আদা ও ৫০ টাকার পরিবর্তে ৩৫ টাকা কেজিতে বেগুন বিক্রি শুরু করেন।
ম্যাজিস্ট্রেট চলে গেলে দোকানিরা আবারও বেশি দামেই বিক্রি করছেন ক্রেতাদের কাছে।
এ বিষয়ে জয়পুরহাট কৃষি বিপণন কর্মকর্তা রতন কুমার রায় বলেন, রমজানে বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে জয়পুরহাটে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কৃষি বিপণন কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কেউ বেশি দামে পণ্য বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার শহরের নতুনহাট এলাকায় অভিযান চলাকালে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মাহবুব জানান, জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় রমজান মাস জুড়ে বিভিন্ন হাটবাজারে কঠোর মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
যেই ব্যবসায়ী দাম বাড়িয়ে বাজারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেবি