দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মাত্র চার মাসের দায়িত্ব পালন। আত্মসাত করলেন ১৯ লাখ টাকা। শেষে আত্মসাতের টাকা ফেরত দিতে অঙ্গীকার। এমনি একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে রাজবাড়ী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যাপক ফকীর মো. নুরুজ্জামান বিরুদ্ধে।
হিসেবে গরমিল বলে দাবি করলেন অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যাপক ফকীর মো. নুরুজ্জামান। তবে ৫ লাখ টাকা কলেজ তহবিলে ফেরত দিয়েছেন তিনি।
রাজবাড়ী সরকারি কলেজ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আত্মসাতের ৫ লাখ টাকা কলেজের নিজস্ব তহবিলে ফেরত দেন অধ্যাপক ফকীর মো. নুরুজ্জামান এবং বাকি টাকা পর্যায়ক্রমে ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
জানা যায়, রাজবাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোস্তফিজুর রহমান ২২ নভেম্বর-২০২২ চাকরি থেকে অবসর নেন। এর পর সেই দিন থেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন অধ্যাপক ফকীর মো. নুরুজ্জামান।
দায়িত্ব পালন করেন ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত। এর মধ্যে কলেজ থেকে তার বিরুদ্ধে ১৯ লাখ ২০ হাজার ৯৯৭ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে।
জানা যায়, রাজবাড়ী সরকারি কলেজের নতুন অধ্যক্ষ অধ্যাপক হোসনেয়ারা খাতুন। নতুন এই অধ্যক্ষ যোগদান করে হিসাবের গরমিল দেখতে পান। অধ্যাপক ফকির মো. নুরুজ্জামান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ থাকাকালীন (২০২২-২৩ইং) অর্থবছরের নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সময়ে কালে চার সদস্য বিশিষ্ট অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি গঠন করা হয়।
কলেজের অধ্যাপক আবুল ওয়ায়েদ মো. বাছেদ ঠাকুরকে এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। এই কমিটি ব্যাংক হিসাব ও খাতাপত্র পর্যবেক্ষণ করে ১৯ লাখ ২০ হাজার ৯৯৭ টাকা আত্মসাতের বিষয়টি চূড়ান্তভাবে তুলে ধরেন। চূড়ান্ত হিসেবটি বর্তমান কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ফকীর মো. নুরুজ্জামানকে অবহিত করা হয়।
অধ্যাপক ফকীর মো. নুরুজ্জামান বলেন, হিসাবে ভুল হয়েছিল। যে কারণে তিনি কলেজ তহবিলের টাকা ফেরত দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে ৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন। বাকি টাকা পর্যায়ক্রমে প্ররিশোধ করা হবে।
নিরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক আবুল ওয়ায়েদ মো. বাছেদ ঠাকুর জানান, ফকীর মো. নুরুজ্জামান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ থাকাকালীন ১৯ লাখ ২০ হাজার ৯৯৭ টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন। হিসাব নিরীক্ষা করে তারা এ তথ্যই পেয়েছেন।
রাজবাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক হোসনেয়ারা খাতুন জানান, অধ্যাপক ফকীর মো. নুরুজ্জামান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ থাকাকালীন যে অর্থ গ্রহণ করেছিলেন, তা তিনি ফেরত দিতে শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে দুই কিস্তিতে ৫ লাখ টাকা কলেজ তহবিলে জমা দিয়েছেন। বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।
জেবি