দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানায় বাদী-বিবাদীকে আটকে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ দুই উপ-পরিদর্শককে (এসআই) স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। রোববার (২৮ জানুয়ারি) রাতে জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান এই স্ট্যান্ড রিলিজের আদেশ দেন।
বদলির আদেশ পাওয়া উপ-পরিদর্শকদের (এসআই) মধ্যে আশরাফুল ইসলামকে নোয়াখালীর হাতিয়া থানায় ও সাজ্জাদ হোসেনকে ভাসানচর থানায় বদলি করা হয়েছে। অতি দ্রুত তাদেরকে বর্তমান কর্মস্থল ত্যাগ করে বদলিকৃত স্থানে যোগদান করার জন্য বলা হয়েছে।
জানা যায়, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রুহুল আমিন সম্পত্তির বিরোধ নিয়ে তার প্রতিবেশী খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। আদালত উভয়পক্ষকে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এ বিষয়ে গত ১৭ জানুয়ারি কোম্পানীগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ফরিদ মিয়া সতর্কতার নোটিশ জারি করেন।
গত সোমবার (২২ জানুয়ারি) ওই সম্পত্তিতে কাজ করতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির উপক্রম হয়। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে ঘটনাস্থল থেকে বিবাদী খোরশেদ আলমসহ উভয় পক্ষের চারজনকে আটক করেন এসআই আশরাফুল ইসলাম। পরে থানা থেকে আটক আসামি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে খোরশেদ আলমের আত্মীয় নাইমুল হক ইভানের কাছ থেকে এসআই আশরাফ পাঁচ হাজার এবং এসআই সাজ্জাদ ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেন। কিন্তু টাকা নিয়েও আসামি ছেড়ে না দিয়ে আদালতে প্রেরণ করায় আপত্তি তোলে খোরশেদ আলমের পরিবার।
মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা ভুক্তভোগীর আত্মীয় নাইমুল হক ইভানের বাড়িতে গিয়ে ঘুষ নেওয়া টাকা ফেরত দিয়ে আসেন। গত বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) দুই এসআইয়ের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন নাইমুল হক ইভান।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠায় এসআই সাজ্জাদ হোসেন ও আশরাফুল ইসলামকে তাৎক্ষণিকভাবে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় মামলা দিয়ে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। বাংলাদেশ পুলিশ একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী। এখানে বিশৃঙ্খলার কোনো সুযোগ নেই। পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এমন কোনো কাজ বরদাস্ত করা হবেনা।
এফএইচ