দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে কেন্দ্র দখল করা নিয়ে সংঘর্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় আহত আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিল (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
নিহত আব্দুল জলিল শেরপুর ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং একই এলাকার মৃত কুমেদ আলীর ছেলে।
রোববার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ১০ টার দিকে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মজিদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শেরপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগের আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গত ৭ জানুয়ারি বেলা দুইটার দিকে শেরপুর ইউনিয়নের ইমাম হোসেন সরকারি উচ্চ-বিদ্যালয় কেন্দ্র দখল করার চেষ্টা করে সাবেক সংসদ সদস্য ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিনের সমর্থকরা।
এই নিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী মেজর আব্দুস সালামের সমর্থকরা ফেরাতে গেলে দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় স্বতন্ত্রপ্রার্থীর কর্মীর হামলায় গুরুতর আহত হন আব্দুল জলিল।
প্রথমে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে ওই দিন রাতেই আব্দুল জলিলকে চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
পরে মেজর আব্দুস সালাম পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পরদিন আহত আব্দুল জলিলকে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল ১০টার দিকে আব্দুল জলিল মারা যান।
নান্দাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শাহান বলেন, কেন্দ্র দখল নিয়ে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্রপ্রার্থী আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিনের সমর্থকদের হামলায় আব্দুল জলিল গুরুতর আহত হয়।
আজ ঢাকার সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। আব্দুল জলিলের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুস সালাম এবং হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিনের নাম্বারে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ওসি মো. আব্দুল মজিদ বলেন, শুনেছি ভোটের দিনের মারামারিতে আহত আব্দুল জলিল মারা গেছেন। এই ঘটনায় গত ১৯ জানুয়ারি মামলা হলে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ১৫ জন আদালতে হাজির হয়। এদের মাঝে একজন জেল হাজতে আছেন। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেবি