দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আশিক মিয়া (১৬) নামের এক অটোরিকশা চালককে হত্যা করে অটোরিকশাসহ মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) বাড়ি থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে গভীর রাত হয়ে গেলেও বাড়িতে না ফিরলে মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে আশিককে তার পরিবার খোঁজাখুঁজি করেও কোনো খোঁজ পায়নি। নিহত আশিক মিয়া ফরদাবাদ ইউনিয়নের কলাকান্দি গ্রামের আব্দুল মিয়া ওরফে আফজাল মিয়ার ছেলে।
শনিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফরদাবাদ ইউনিয়নের গাওরাটুলি গ্রামের কবরস্থান সংলগ্ন পুকুর থেকে হাত-পা বাঁধা একটি লাশ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী থানায় খবর দিলে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভিকটিম আশিক মিয়া অটোরিকশা নিয়ে শুক্রবার বিকেলে ঘর থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হয়। রাতে দুর্বৃত্তরা শ্বাসরুদ্ধকরভাবে হত্যা করে হাত-পা বেঁধে ভিকটিমকে পুকুরের পানিতে ফেলে অটোরিকশা নিয়ে যায়।
নিহতের মা পারভিন বেগম বলেন, আমার ছেলেকে কিস্তির মাধ্যমে দেড় লাখ টাকা দিয়ে অটোরিকশা কিনে দেই। ছেলে অটো চালিয়ে প্রথম কিস্তি পরিশোধ করে। সুন্দরভাবে আমাদের পরিবার চলছিল। শুক্রবার বিকেলে বাড়ি থেকে গাড়ি নিয়ে বের হলে অনেক রাত হয়ে যায় বাড়ি ফিরেনি। রাতভর খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাইনি। আজ শনিবার সকালে জানতে পারি আমার ছেলেকে কারা যেন হাত পায়ে বান দিয়া পুকুরে ফালাইয়া মাইরা রাখছে।
নিহত আশিক মিয়ার বাবা আফজাল মিয়া বলেন, এক মাস হয় ছেলেকে কিস্তিতে অটো কিনে দিয়েছি। গতকাল বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়। গভীর রাত হলেও বাড়ি না ফিরলে আমার সন্দেহ হয়। হয়তো আমার ছেলেকে কেউ মেরে ফেলছে। আজ সকালে শুনি গাওরাটুলি পুকুর পাড়ে হাত বাধা মরদহ আছে। এসে দেখি আমার ছেলে আশিককে কারা যেন মাইরা ফালায় রাখছে। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমার ছেলের হত্যাকারীদের সঠিক বিচার চাই।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পরে আমরা পানি থেকে ১৬ বছরের একটি ছেলেকে হাত বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করি। কে বা কারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে রহস্য উদঘাটনের জন্য আমরা কাজ করছি। আশা করি দ্রুত হত্যাকাণ্ডের রহস্য দ্রুত উদঘাটিত হবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা পক্রিয়াধীন।
জেবি