দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

টাকা দিয়ে ভোট কেনা হলে নির্বাচনে হেরে যাওয়া আশষ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব ও নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার।
বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের হাটাবো এলাকায় গণসংযোগ শেষে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এর আগে তিনি ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন। গণসংযোগকালে তার সঙ্গে অংশ নেন দলের নেতারা।
তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, আমি তৈমুর আলম খন্দকার নারায়ণগঞ্জে যেকোনো আসনে দাঁড়ানোর ক্ষমতা রাখি। কারও কোনো ভরসা ছাড়া আমি হাঁটতে পারি। টাকা দিয়ে ভোট কিনতে চাইলে তো আমি তৈমুর হেরে যাব। কারণ টাকার দৌঁড়ে তো আমি পারব না।
দাউদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান ভূঁইয়ার পক্ষে প্রচারণাকালে প্রকাশ্যে এক ব্যক্তিকে টাকা দেওয়ার প্রসঙ্গে তুলে তৈমুর বলেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত এই টাকা বিলির কার্যক্রমকে নিয়ন্ত্রণ করা। আমরা কোনো বিত্তশালীকে নমিনেশন দেয়নি। আমরা মজলুম মানুষ, মজলুমদেরই নমিনেশন দিছি। আমি জীবনে কোনো দুর্নীতি করে নাই।
ভূমিদস্যুদের পৃষ্ঠপোষকতার প্রশ্নে তৈমুর বলেন, কারও ভরসা ছাড়া নির্বাচন করতে পারি। গাজীর বিরুদ্ধে সরব থাকলেও শাহজাহান প্রশ্নে এড়িয়ে যান তিনি। পাল্টা অভিযোগ করে তৈমুর বলেন, একজন এমপি হয়েও তিনি রূপগঞ্জের ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে তিনি কখনও রুখে দাঁড়াননি। বরং তিনি সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন।
তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব বলেন, তিনি একমাত্র ব্যক্তি যে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছি। আমি মানববন্ধন, মিছিল-মিটিং করেছি। এজন্য আমাকে অনেকভাবে নিগৃহীত হতে হয়েছে। তখন আওয়ামী লীগ বা বিএনপির কোনো নেতার সহযোগিতা পাননি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, আমার বাবা এবং মায়ের সম্পত্তি বিক্রি করে আমি রাজনীতি করি। যেখানে প্রয়োজন আমি নির্বাচন এলে দাঁড়াব। সিটি নির্বাচনে সরকার বিরোধীতা করছে, প্রশাসন বিরোধীতা করছে। আমার দলের বড় নেতা বিরোধীতা করছে। তারপরও আমি কী কম ভোট পাইছি। এবারও দেখবেন ফলাফল কী হয়।
আরএ