দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখল করে গড়ে উঠা আওয়ামী লীগ নেতার বিলাসবহুল স্থাপনাসহ ৪৭টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
বুধবার (২৭ডিসেম্বর) দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিট্রেট ইসফাত উল কবির, নাজিয়া নওরিন, ফরিদ আল সোহানসহ বিপুলসংখ্যক পুলিশ উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নেন।
জানা গেছে, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম আসনের এমপি মোতাহার হোসেনের ব্যক্তিগত সহকারী ও স্থানীয় গড্ডিমারী ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের গুরুত্বপূর্ণ ফ্ল্যাট বাইপাস এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে সেখানে বৈরালী নামে একটি বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ তৈরি করেন। এরপর সেখানে আরও বেশ কিছু যায়গা বেদখল হয়ে যায়। অবৈধভাবে গড়ে উঠে ৪৭টি স্থাপনা।
দীর্ঘদিন ধরে এসব স্থাপনা উচ্ছেদের আইনি নোটিশ দেওয়া হলেও তা না সরানোয় আদালতের নির্দেশে তিনজন ম্যাজিস্ট্রেটসহ শতাধিক পুলিশ প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ওই সব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে পুলিশ প্রশাসন অবৈধ উচ্ছেদ অভিযানে সহায়তা করছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদৌলা বলেন, তিস্তা ব্যারাজ এলাকার ফ্ল্যাট বাইপাস একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এই এলাকায় কোনো প্রকার অবৈধ স্থাপনা থাকবে না। ব্যারাজ এলাকার ৪৭টি অবৈধ স্থাপনার মালিকদের কয়েকবার নোটিশ করার পরেও তারা শোনেনি। তাই অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
লালমনিরহাট জেলা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইসফাত-উল-কবির বলেন, আদালতের নির্দেশে তিস্তা ব্যারাজ এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ৪৭টি স্থাপনা উচ্ছাদে তিন সদস্যের একটি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট টিম কাজ করেছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে কেউ বাধা প্রদান করেননি।
জেবি