দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া আবহাওয়া অফিসে ষষ্ঠ দিনের মতো সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, পঞ্চগড়ে দিনের বেলা ঝলমলে রোদ্র থাকলেও বিকেল থেকে শুরু হয় হিমেল বাতাস আর কনকনে ঠান্ডা। রাত যত গভীর হয় ততই ঠান্ডা তীব্রতা বাড়তে থাকে। দিনের বেলা রাস্তা ও হাটবাজারে লোকসমাগম থাকলেও রাত ৮টা বাজতে না বাজতেই লোকসমাগম কমে যায়। কনকনের ঠান্ডা থেকে রেহাই পেতে অনেকেই ছুটছেন গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে। কেউবা ছুটছে ফুটপাতের দোকানগুলোতে। সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছে ভ্যান, অটো ও থ্রি হুইলার চালকরা। তাদের দৈনন্দিন আয় কমে এসেছে।
ভ্যানচালক শাহাজান, কৃষক দেলোয়ার, দবিরুল মাস্টারসহ কয়েকজন জানান, এখন আগের মতো কুয়াশা নেই। কিন্তু কনকনে শীত। ভোরে প্রচণ্ড হিমশীতের মধ্যেই মাঠে কাজ করতে এসেছি। কিন্তু কী করব, জীবিকার তাগিদে কাজ করতে হচ্ছে। অতিরিক্ত শীতের কারণে আলু ও বোরো বীজতলা নষ্ট হচ্ছে।
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এস আই এম রাজিউল করিম জানান, শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে শিশুরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এসময় শিশুদের ঠান্ডা না লাগানো এবং বাসি খাবার না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন শয্যার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি রোগী ভর্তি হচ্ছে।
তেতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ জানান, দিন দিন তাপমাত্রা হ্রাস পাবে। এ মাসের শেষদিকে কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হবে।
আরএ/টি