দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী রোববার (১৭ ডিসেম্বর) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জোটগত নির্বাচনের অংশ হিসেবে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আফরুজা বারী ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের তিনবারের সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা গিণির মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এর ফলে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টির বর্তমান এমপি ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের সাবেক এমপি মো. আব্দুর রশিদ সরকার জোটগতভাবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
এছাড়াও জেলার পাঁচটি আসনে অন্য যারা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন তারা সকলেই জাকের পার্টির প্রার্থী। তারা হচ্ছেন গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জাকের পার্টির মো. মোশাররফ হোসেন, গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মো. জহুরুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৩(পলাশবাড়ি-সাদুল্যাপুর) আসনে মো. তোছাদ্দেক হোসেন সরকার ও গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে মো. আবুল কালাম।
এর ফলে অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ৩৪ জন গাইবান্ধা পাঁচটি আসনে ভোটযুদ্ধে অংশ নেবেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহারের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে গাইবান্ধা-২ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় বর্তমান সংসদ সদস্য মাহাবুব আরা বেগম গিণি বলেন, এ ব্যাপারে মন্তব্য করার কিছু নেই। দলের সিদ্ধান্তই আমার সিদ্ধান্ত।
গাইবান্ধা-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আফরোজা বারী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। রোববার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে নির্বাচন কমিশনে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া ২৬টি আসনে জাপা ও ছয়টি আসনে ১৪ দলের প্রার্থীদের ছেড়ে দেওয়া সংক্রান্ত চিঠি হস্তান্তর করেন।
গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আবদুল মোত্তালিব জানান, জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের বিপরীতে ৫৮ জন প্রার্থী মনোনয়ন কেনেন। তাদের মধ্যে ৫২ জন জমা দেন। প্রত্যাহারের শেষ দিনে তাদের সংখ্যা দাড়ালো ৩৪ জন।
জেবি