দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ ফটোর বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শান্তা রহমানের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের হট্টগোলের সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে আসন বিন্যাস ও অনুষ্ঠান অব্যাবস্থানাকে কেন্দ্র করে সাটুরিয়া উপজেলার দুজন ভাইস চেয়ারম্যান ও সাটুরিয়া প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকরা কুচকাওয়াজ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বর্জন করে চলে যান।
এছাড়া শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শনিবার সকালে সাটুরিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে শহিদ বেদীতে পুস্পস্তবক করার সময় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। এ সময় প্রটোকল ভেঙে পড়লে উপস্থিত বিভিন্ন সংগঠন ও দপ্তর প্রধানরা অসোন্তুষ প্রকাশ করেন।
জানা গেছে, জাতীয় দিবসে সকালের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাটুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ ফটো বক্তব্য রাখছিলেন। বক্তব্যের মাঝখানে সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শান্তা রহমান অনুষ্ঠান স্থান ত্যাগ করেন। বক্তব্য শেষে তার সঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ ফটোসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে সাটুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বর্তমান ইউএনও শান্তা রহমান বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য আমরা শহিদ বেদীতে পুস্পস্তক অপর্ণ করে অনুষ্ঠান বর্জন করে চলে যাই। তার আচরণ দু:খজনক।
এদিকে সাটুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রতি বছরই বালিয়াটি ঈশ্বর চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়ে থাকেন। অংশগ্রহণকারী দলের জন্য সকালের নাস্তা বরাদ্ধ থাকে প্রতিটি দলের জন্য। এবার মাঠে অংশ নেওয়া ২০ দলের মধ্যে আটদলকে সকালের নাস্তা দেওয়া হয়েছে। বাকি ১২ দলকে নাস্তা দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে বিজয় দিবসের মাঠে আসা অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন।
সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আফাজ উদ্দিন বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বিজয় দিবসে আওয়ামী লীগের সভাপতি, সম্পাদক এমনকি সাংবাদিকদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, প্রশাসন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মানুষই মনে করে না। উপজেলা প্রশাসনের খামখেয়ালিপনার তীব্র নিন্দা জানাই।
এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ ফটো বলেন, শুধু এ জাতীয় দিবসে নয় বিভিন্ন বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, দপ্তর প্রধানরা, সাংবাদিক ও জনসাধারণের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে আসছেন।
এ বিষয়ে সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শান্তা রহমান বলেন, পুস্পস্তবক অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা হলে আমার কী করার আছে।
জেবি