দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহের ভালুকায় কয়েলের আগুনে দগ্ধ হয়ে মা ও দুই শিশু সন্তান গুরুতর আহত হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন, ভালুকা খাদ্যগুদামের কর্মচারী রবিন মিয়ার স্ত্রী মনি আক্তার (৩০), শিশু জাফরান (৫) ও এক বছর বয়সী মায়ান।
রোববার (১০ ডিসেম্বর) ভোরে পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের তোতা খার ভিটায় ঘটনাটি ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভালুকা খাদ্য গুদামের কর্মচারী রবিন মিয়ার বাড়ি গফরগাঁও। তিনি ভালুকা খাদ্য গুদামে চাকরি করার সুবাদে ভালুকা পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের তোতা খার ভিটা এলাকায় ভাড়া নিয়ে স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। ঘটনার দিন রাতে রবিন মিয়া স্ত্রী সন্তানদের বাড়িতে রেখে খাদ্য গুদামে ডিউটি করতে চলে যায়। এদিকে, মনি আক্তার শিশু জাফরান ও মায়ানকে নিয়ে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে যান।
রোববার ভোরে ঘর থেকে মনি আক্তারের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন তার ঘরে আগুন জ্বলতে দেখে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে দগ্ধ অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে ভালুকা হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়।
খাদ্যগুদাম কর্মকর্মচারী রবিন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দগ্ধদের অবস্থা খুব খারাপ।
ভালুকা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আতিকুর রহমান জানান, সংবাদ পাওয়ার পর তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ দুই শিশুসহ তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনে ঘরের প্রায় সকল আসবাবপত্র পুড়ে গেছে বলে ওই কর্মকর্তা জানান।
ভালুকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, আগুনে তিনজন দগ্ধ হওয়ার ঘটনা শুনেছি। তবে, কেউ মারা গেছে বলে জানা যায়নি। এই ঘটনায় এখনও কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি।
জেবি