দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লালমনিরহাটে দুই দিন ধরে কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পড়ছে ঘন কুয়াশাও। এ ঠান্ডায় বিপাকে পড়েছে শিশু, বৃদ্ধ ও নিম্নআয়ের মানুষজন। তিস্তা ও ধরলা নদীর চর এলাকার বাসিন্দারা কাজ করতে না পেরে কষ্টে দিন পার করছেন।
রোববার (১০ ডিসেম্বর) ভোর থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে পুরো জেলা। মহাসড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
বেলা ১২টার পরও সূর্যের দেখা মেলেনি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে হিমেল হাওয়া আর কনকনে ঠান্ডা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষরা।
হাড়কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হতে পারছেন না নিম্নআয়ের মানুষ। অনেকে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখন থেকে প্রতিদিনই তাপমাত্রা কমতে থাকবে।
হাতীবান্ধা উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা আবুল কাশেম বলেন, দুই দিন ধরে অতিরিক্ত শীত পড়ছে। এমন অবস্থা সাতদিন থাকলে মানুষের অবস্থা কাহিল হয়ে পড়বে। ভ্যানচালক রহমান আলী বলেন, এ ঠান্ডায় কোনো যাত্রী নাই। পেটের দায়ে ঘর থেকে ভ্যান নিয়ে বেরিয়েছি।
হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মিরু বলেন, তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় শীতের তীব্রতা বেশি থাকে। কয়েক দিন থেকে হালকা হালকা শীত চলার পর গত দুদিন থেকে প্রচুর শীত পড়ছে। এতে বয়স্ক ও শিশুরা কাবু হয়ে পড়ছে। জেলা প্রশাসকের কাছে দ্রুত শীতবস্ত্রের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।
জেবি