দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দিনাজপুরে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহারের দায়ে আটক ১৮ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে আটক ৯ জন নারী ও ৯ জন পুরুষকে আদালতে চালান দেওয়া হয়। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক আটটি মামলা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার ৮টি কেন্দ্র থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহারের দায়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন দিনাজপুর জেলার সদর উপজেলার মুসলিমা খাতুন (২৮), মোছা. নাসরিন জাহান (২৯), উম্মে আলিমা (২৮), শরিফুল আলম (২৮), বিরল উপজেলার মো. কামরুজ্জামান (৩২), বিরল উপজেলার রাহেনা খাতুন (২৬), বীরগঞ্জ উপজেলার মো. জামিল বাদশা (৩১), মো. রাকিব (২৮), মনিরুজ্জামান (৩০), শেফালী রানী রায় (৩৩), সেতাবগঞ্জ উপজেলার মো. সায়েম মুন্না তনময় (২৯), হাকিমপু উপজেলার জাকিয়া ফেরদৌস (২৬), চিরিরবন্দর উপজেলার কবিতা রানী রায় (২৭), সবুজ চন্দ্র রায় (৩৪), বিরামপুর উপজেলার মহিদুল ইসলাম (৩২), নবাবগঞ্জ উপজেলার তানিয়া মস্ততারি (৩১), ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার উর্মিলা আক্তার (২০), ঠাকুরগাঁ জেলার হরিপুর উপজেলার মো. সুজন আলী (২৭)।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ হোসেন জানান, প্রক্সি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার করায় ১৮ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে মধ্যে ৯ জন নারী ও ৯ জন পুরুষ। এদের কাজ থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস সংযুক্ত মাস্টারকার্ড, ব্লুটুথ ডিভাইস ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে পাবলিক পরীক্ষা আইনে কেন্দ্র সচিবরা বাদী হয়ে পৃথক ৮ টি মামলা করেছেন। শনিবার দুপুরে তাদের কোর্টে চালান দেওয়া হয়েছে।
জেবি