দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদ সিআইপির মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। একই আসনে মনোনয়ন বৈধ হয়েছে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম ও বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলমসহ আরও ৬ প্রার্থীর।
রোববার (৩ ডিসেম্বর) কক্সবাজারের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জনতা ব্যাংক চট্টগ্রামের লালদীঘি শাখা থেকে 'ফিস প্রিজারভারস' নামক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নামে সালাহ উদ্দিন আহমদসহ অন্য পরিচালকরা প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। যা পরবর্তীতে খেলাপি হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ পরিবর্তন হলেও ব্যাংকের শর্ত অনুযায়ী সালাহ উদ্দিন আহমদ এখনও সেই ঋণের একজন জামিনদার।
আরও জানা যায়, ৩০ নভেম্বর তারিখে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিনও বাংলাদেশ ব্যাংকের Credit Information Bureau (সিআইবি) রিপোর্ট অনুযায়ী সালাহ উদ্দিন আহমদ একজন ঋণখেলাপি ছিলেন। তাই তার মনোনয়নপত্র আইন অনুযায়ী বৈধ বলার সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদ সিআইপি বলেন, যে অজুহাতে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে সেটি আদালতের মাধ্যমে স্টে করা ছিল। কেনো মনোনয়ন বাতিল করা হলো আমি জানি না। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করব।
এদিকে বিকেল তিনটায় কক্সবাজার শহরের অদূরে মেরিন ড্রাইভের এক রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করেন কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম। তার নির্বাচনি আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জয়ের ব্যাপারে কতোটুকু আশাবাদী জানতে চাইলে ইব্রাহিম বলেন, কারও প্রার্থিতা বাতিলের ওপর আমার জয় নির্ভর করে না। ভোটের আগ পর্যন্ত মানুষের কাছে যেতে হবে। তারপর আল্লাহ চাইলে মানুষের ভোটে নির্বাচিত হব।
সরকারের সঙ্গে কল্যাণ পার্টির কক্সবাজারের দুটি আসন নিয়ে সমঝোতা হয়েছে এমন খবরের বিষয়ে জানতে চাইলে সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, এসব মিথ্যা। এ ধরনের কোনো সমঝোতা করে কল্যাণ পার্টি নির্বাচনে আসেনি। আমরা এখন পর্যন্ত বিশ্বাস করি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। তাই নির্বাচনে এসেছি।
জেবি