দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নাটোরের সিংড়া উপজেলায় ট্রাক হেলপার নুর ইসলাম হত্যা মামলার পলাতক আসামি দুলাল হোসেনকে দিনাজপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বুধবার (২২ নভেম্বর) দিনাজপুরের বিরল থানার সেতারা বাজার নদীর পাড়ের একটি ব্লক বানানোর কারখানা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে তাকে র্যাব-৫ সিপিসি-২ নাটোর ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। গ্রেপ্তারকৃত দুলাল হোসেন পঞ্চগড় জেলার বোদা থানার কেরানী পাড়া এলাকার হাকিম উদ্দিনের ছেলে।
নাটোর ক্যাম্পের সিনিয়র সহকারী পরিচালক সঞ্জয় কুমার সরকার জানান, গত ১২ অক্টোবর নূর ইসলাম ট্রাকে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর গত ২১ অক্টোবর বিকেলে নূর ইসলাম তার স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে জানায় সে ট্রাক নিয়ে নাটোর থেকে সিরাজগঞ্জ যাচ্ছে। কিন্তু এরপর থেকে নূর ইসলামের আর কোনো খোঁজখবর পাওয়া যায় না এবং তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পরে গত ২২ অক্টোবর তেঁতুলিয়া থানা পুলিশের মাধ্যমে স্বজনরা জানতে পারেন নুর ইসলামের মরদেহ পাওয়া গেছে। নাটোর জেলার সিংড়া থানায় নূর ইসলামের মরদেহ আছে। পরে তারা নাটোরের সিংড়া থানায় পৌঁছে মরদেহ শনাক্ত করেন এবং ট্রাকচালক লাবু মিয়ার নামসহ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে সিংড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ লাবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। লাবু মিয়ার দেওয়া তথ্য মতে দুলালকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালায় পুলিশ। পরে পুলিশ দুলাল হোসেনকে গ্রেপ্তারের জন্য র্যাবের সহযোগিতা চায়।
এরই প্রেক্ষিতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় দুলার হোসেনের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে গত রাতে দিনাজপুরের বিরল থানার সেতারা বাজার নদীর পাড়ের একটি ব্লক বানানোর কারখানা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সকালে তাকে সিংড়া থানায় সোপর্দ করা হয়।
উল্লেখ্য, নূর ইসলাম তার নিজস্ব ট্রাকে লাবু মিয়াকে চালক হিসেবে রেখে সে নিজে ট্রাকের হেলপারি করতো।
গত ২২ অক্টোবর নুর ইসলামকে হত্যা করে নাটোরের সিংড়ার নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের জামতলী বাসস্ট্যান্ডের পাশের ঝোপে মধ্যে নূর ইসলামের মরদেহ ফেলে রেখে ট্রাক নিয়ে পালিয়ে যায় চালক লাবু মিয়া ও দুলাল হোসেন।
জেবি