দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে চাঁদার দাবিতে মো. লিটন নামে (৪৫) এক প্রবাসীকে হত্যা করেছে দেশটির অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা। নিহত লিটন নোয়াখালীর সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর শরীফপুর গ্রামের মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে। তিন তিন কন্যা সন্তানের জনক ছিল।
সোমবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফাজ্জ্বল হোসেন বাবলু ও ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো.আবদুল হালিম শাকিল।
তারা বলেন, রোববার দিবাগত রাত বাংলাদেশ সময় দেড়টার দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের লিটনের নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থানরত নিহতের ছোট ভাই মো. সোহেলের বরাত দিয়ে তাদের পরিবারের সদস্যরা জানায়, ৫ বছর আগে জীবিকার সন্ধানে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমায় লিটন। গত বৃহস্পতিবার অস্ত্রধারী কৃষ্ণাঙ্গ সন্ত্রাসীরা জোহানেসবার্গের তার কনফেকশনারির প্রতিষ্ঠানে এসে চাঁদা দাবি করে। এ নিয়ে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ড হয়। এসময় সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পরবর্তীতে সন্ত্রাসীরা তাকে বেধড়ক পিটিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তার মৃত্যু হয়। লিটনের মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। লিটনের পরিবার তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফাজ্জ্বল হোসেন বাবলু বলেন, লিটন ও তার পরিবারকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি। বেশ কয়েক বছর হয়েছে সে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী। তার তিনটি সন্তান রয়েছে। তার মৃত্যুর সংবাদে আমরা শোকহত। আমার ব্যক্তিগত ও পরিষদের পক্ষ থেকে তার পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে। লিটনের লাশ দেশে আনার জন্য প্রক্রিয়া চলছে।
নোয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আঁখি নুর জাহান নীলা বলেন, আমাকে ইউপি পরিষদ বা নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ বিষয়টি জানায়নি। আপনার (এ প্রতিবেদক) কাছ থেকে শুনলাম।
এইউ