দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বেনীপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত মিজানুর রহমান (৫০) নামে এক বাংলাদেশির মরদেহ সাতদিন পর ফেরত দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে পতাকা বৈঠকের পর বিজিবির কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। পরে বিজিবি বাংলাদেশ পুলিশের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করে।
নিহত মিজানুর রহমান ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের নবী ছদ্দিনের ছেলে।
তিনি জীবননগর সীমান্ত ইউনিয়নের বেনীপুর গ্রামের আয়ুব আলীর জামাতা। বিয়ের পর তিনি শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই থাকতেন।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস.এম. জাবীদ হাসান জানান, মরদেহ গ্রহণকালে বাংলাদেশের পক্ষে জীবননগর থানার উপ-পরিদর্শক এসএম রায়হান, উপ-পরিদর্শক সৈকত পাড়ে, সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইশাবুল ইসলাম মিল্টন ও জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম, বেনীপুর বিওপি কমান্ডার আতিয়ার রহমান পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ।
৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম জানান, বিএসএফ ও বিজিবি'র উপস্থিতিতেই ভারতীয় পুলিশ বাংলাদেশি পুলিশের কাছে মিজানুরের মরদেহ ফেরত দেয়।
সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইশাবুল ইসলাম মিল্টন জানান, মিজানুর রহমান কিছুদিন আগে ভারতীয় গরুর ব্যবসা করতেন। সম্প্রতি তিনি অবৈধভাবে মানুষ পারাপারের কাজ করে আসছিলেন। গত বৃহস্পতিবার মিজানুর ও তার সহযোগীরা কয়েকজন মানুষ নিয়ে অবৈধভাবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণগঞ্জ থানার নোনাগঞ্জ সীমান্তে যান।
ফেরার সময় বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় মিজানুর। পালিয়ে যান তার সহযোগীরা। বুধবার বিকেল সাড়ে ৬ টার সময় তার মরদেহ বিজিবি ও বিএসএফের প্রতিনিধিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত দুই দেশের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ফেরত দেয়া হয়েছে।
পরে মরদেহটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মিজানুর আত্মীয়রা তার মরদেহ তাদের গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার শেখ পাড়ায় নিয়ে গেছেন।
জেবি