দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচিত বৃদ্ধা মোমেনা বেওয়া হত্যা মামলার ৭ বছর পর রহস্য উদঘাটন হয়েছে। আলোচিত হত্যাকাণ্ডে জড়িত তার পুত্রবধূকে আটক করেছে পিবিআই। আটক মোছা. রিনা খাতুন (৫৫) উল্লাপাড়ার দহকুলা দক্ষিণপাড়ার মৃত আব্দুল মান্নানের স্ত্রী।
পিবিআইয়ের সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম সোমবার দুপুরে শহরের নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, গত ২০১৬ সালের ২৭ মে সন্ধ্যা দহকুলার মৃত আব্দুল গনির স্ত্রী বৃদ্ধা মোমেনা বেওয়া (৭০) পড়নের শাড়ি দিয়ে ফাঁসি নিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে তার ছেলের বউ এবং নাতিরা প্রকাশ করে। স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে উল্লাপাড়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে। এরপর ভিকটিমের মেয়ের জামাই মাহবুবুল আলম বুলু বাদী হয়ে উল্লাপাড়া থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে ভিকটিমের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট থেকে জানা যায়, মোমেনা বেওয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্টপ্রাপ্তির পরে ভিকটিম মোমেনা বেওয়ার নাতি (মেয়ের ছেলে) মো. আমিরুল ইসলাম বাবু এজাহার নামীয় তিন জনসহ অজ্ঞাতনামা ২-৩ জন আসামি উল্লেখ করে উল্লাপাড়া থানায় এজাহার দায়ের করেন। ভিকটিম মোমেনা বেওয়া তার নামীয় জমি বিক্রি করে অসুস্থ মেয়ে ছালমা খাতুনকে সহায়তা করেন। এ কারণে মোমেনা বেওয়ার সঙ্গে আসামিদের মনোমালিন্য হয়। একপর্যায়ে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যা বলে প্রচারণা চালায়।
তখন তদন্তভার সিরাজগঞ্জ পিবিআই পেয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার শাহজাহানপুরের রেলওয়ে কলোনি থেকে পলাতক পুত্রবধূ নাজমা খাতুনকে আটক করে। তিনি ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে স্বেচ্ছায় বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
এইউ