দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলায় সাবেক স্ত্রী রাশেদা আক্তার (২২) ও শ্বশুর বাদশা মিয়াকে (৫০) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত জাকির হোসেন সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে কমলনগর উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাদশা মিয়ার ছেলে বাদী হয়ে সুমনের বিরুদ্ধে রামগতি থানায় মামলা করেন।
নিহত বাদশা মিয়া চরকলা কোপা গ্রামের মৃত তোবারক আলীর ছেলে। অভিযুক্ত সুমন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নের পশ্চিম লক্ষ্মীপুর গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুরের সুমনের সঙ্গে ৪ বছর আগে রাশেদার বিয়ে হয়। এরপর থেকে সুমন তাকে মারধর করতেন। বিষয়টি জানতে পেরে কৌশলে রাশেদাকে তার বাবা-মা নিয়ে আসেন। তাদের সংসারে তিন বছরের একটি ছেলে রয়েছে। দীর্ঘদিন সুমনের সঙ্গে রাশেদার যোগাযোগ ছিল না। দুই মাস আগে তাকে এলাকায় ফের বিয়ে দেওয়া হয়। এর জেরে বুধবার সন্ধ্যায় সুমন তার স্ত্রীকে নিতে আসেন। স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের ঘটনা শুনে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন সুমন।
এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রী রাশেদা, শ্বশুর বাদশা ও শাশুড়ি আঙ্কুরিকে কুপিয়ে পালিয়ে যান সুমন। ঘটনাস্থলে রাশেদা ও তার বাবা বাদশা মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় আঙ্কুরিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. হাসান মোস্তফা স্বপন বলেন, স্ত্রী-শ্বশুরকে হত্যার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক ছিল। পুলিশের তৎপরতার কারণে সে জেলার বাইরে যেতে পারেনি। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে অভিযান চালিয়ে কমলনগর উপজেলার করুণানগর বাজার এলাকায় থেকে ঘাতক সুমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আরএ