দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গত রোববার ( ১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরপুর সদর সাব রেজিস্ট্রার অফিসের এজলাস কক্ষে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর চালায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। এ সময় এজলাসের টেবিল তছনছ এবং সিলিং ফ্যানের পাখা ভেঙে ফেলা হয়। ওই হামলার সময় এজলাস কক্ষে কেউ ছিল না বলে সাব রেজিস্ট্রার আবুল কাশেম রোববার রাতে জানিয়েছিলেন। তবে এ ঘটনায় গত ৩ দিনেও কোন আইনি পদক্ষেপ নেয়া হয়নি, তবে মৌখিকভাবে পুলিশকে জানানো হয়েছে বলে জানায় জেলা রেজিস্টার নূর নেওয়াজ।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন থেকে সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখকদের কর্তৃত্ব নিয়ে অন্ত:দ্বন্দ্ব চলে আসছে। সেইসঙ্গে অনলাইনে ডাটা এন্টির মাধ্যমে দলিল সম্পাদনা করার কারণে এক শ্রেণির অসাধু দলিল লেখক এবং স্ট্যাম্প ভেন্ডার সমিতির নেতৃবৃন্দের পছন্দের দলিল সম্পাদনা না হওয়ায় তারা ক্ষুব্ধ রয়েছে। ফলে অনৈতিক সুবিধা বঞ্চিত যে কেউ প্রকাশ্যে সরকারি এমন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে হামলা চালিয়েছে বলে সদর সাব রেজিস্ট্রার কর্মকর্তা জানায়।
তবে হামলার পরপরই তছনছ করা রুম ও ভাঙা ফ্যান ঠিক করে আলামত নষ্ট করায় স্থানীয় সচেতন মহল এটি রহস্যজনক বলে মনে করছে। এমন কী ঘটনার পর থেকে স্থানীয় কিছু দলিল লেখক ও স্ট্যাম্প ভেন্ডার এবং সরকার দলীয় রাজনৈতিক নেতৃবন্দদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করা হয় বিষয়টি আপস করার জন্য। যে কারণে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ এমন একটি সরকারি দপ্তরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কেউ আইনি পক্রিয়ায় যায়নি অফিস কর্তৃপক্ষ।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু দলিল লেখক জানায়, সাব রেজিস্ট্রার অফিসের লোকজনই অন্যকে ফাঁসাতে এ কাজ করেছে।
এ বিষয়ে সদর সাব রেজিস্ট্রার আবুল কাশেমের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি এবং মোবাইল ফোন (০১৭১৬-৭৩৫২০৬) রিসিভ করেনি।
তবে এ বিষয়ে জেলা রেজিস্টার নূর নেওয়াজ জানায়, আমরা এ বিষয়ে থানায় মৌখিকভাবে জানিয়েছি। কে ঘটনাটি ঘটিয়েছে তা সিসি ক্যামেরা দেখে চিহ্নিত করা হবে। এছাড়া আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও হুইপ (আতিউর রহমান আতিক) মহোদয়ের পরামর্শ নেয়ার অপেক্ষায় আছি।
জেবি