দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সফল সরকারের অটুট লক্ষ্য অর্জনের লক্ষ্যে নাগরিকের কম সময়ে, বিনা খরচে, কম ভিজিটে দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সব অংশীজনের সমন্বয়ে জেলা পুলিশের আয়োজনে ভুরুঙ্গামারীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ক্রাইম প্রিভেনশন ক্লিনিক। যেখানে নাগরিকের নানা সমস্যা মনোযোগের সঙ্গে শোনেন ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার সংশ্লিষ্ট অংশীজনবৃন্দ। উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ও বিশেষজ্ঞ প্যানেলের অফিসারবৃন্দ সেবা প্রার্থীদের বক্তব্য শুনে কার্যকরী ব্যবস্থা ও ন্যায্যতার জন্য তাৎক্ষণিক প্রসিকিউশন বা জিডি গ্রহণের উদ্যোগ নেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারী অফিসসমূহে সেবা প্রার্থীদের পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য রেফার করেন।
রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা হলরুমে ভূরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী ও কচাকাটা থানা এলাকা থেকে আগত প্রায় ২ শতাধিক নাগরিক ও সেবাপ্রার্থীর বক্তব্য শোনেন ‘ক্রাইম প্রিভেনশন ক্লিনিকে’ উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ও বিশেষজ্ঞ প্যানেলের অফিসারবৃন্দ।
নাগরিকদের ফৌজদারি সমস্যার ডায়াগনোসিস ও সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে ‘ক্রাইম প্রিভেনশন ক্লিনিকে’ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. আলমগীর কবীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (প্রশাসন) অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট) শেখ মো. মুজাহিদ উল ইসলাম এবং বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর কবির শিপন।
এসময় বিশেষজ্ঞ প্যানেলে উপস্থিত ছিলেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. গোলাম ফেরদৌস, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সহকারী জজ) মোছা. শারমিন আক্তার, নাগেশ্বরী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সুমন রেজা, ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মোর্শেদুল হাসান পিপিএম, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. শামছুজ্জামান, ভূরুঙ্গামারী মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জয়ন্তী রাণী এবং উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম।
জমিজমা ও সম্পর্ক নিয়ে যেসব ফৌজদারি মামলা রুজু হয় তার অধিকাংশই সিভিল স্যুট বা সামাজিক ইস্যু। কিন্তু অনেকেই মাঝে-সাজে ঘুরিয়ে পেচিয়ে এসব ইস্যুকে যেনতেনভাবে ফৌজদারি মামলায় রূপান্তর করার চেষ্টা করেন। যা আদালতে কোনো পক্ষের জন্যই মঙ্গলজনক হয় না বরং বেড়ে যায় ব্যয় ও লেগে যায় অনেক সময়। এমতাবস্থায় ফৌজদারি মামলা হওয়ার উপক্রম হয়েছে এমন সব বিষয়ে নাগরিকদের সময়, অর্থব্যয়, ভিজিট কমাতে এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এতদসংক্রান্তে উপস্থিত সেবাপ্রার্থীদের সদাশয় সরকারের নানাবিধ উন্নয়নের বহুমাত্রিক কার্যক্রম সম্পর্কেও অভিহিত করা হয়।
এইউ