দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চট্টগ্রামে প্রকাশ্য দিবালোকে কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যা করা হলেও তাকিয়ে ছিলেন অর্ধশত মানুষ! দুজনের ধস্তাধস্তির সময় সেখানে জড়ো হওয়া ব্যক্তিরা মোবাইল ফোনে ভিডিও করে গেলেও তাদের নিবৃত্ত করতে এগিয়ে যায়নি কেউই। মেডিকেলে নেওয়ার পথেই পানি চেয়ে মারা যান স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা মো. হোসেন। স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনের টাকা নিয়ে দুই বন্ধুর রেষারেষিতে এই খুন।
রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটা। চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানাধীন সরাইপাড়া এবতাদায়ী মাদারাসার সামনে ধস্তাধস্তি শুরু হয় দুই বন্ধু আওয়ামী লীগ নেতা জসিম ও হোসেনের মধ্যে। তাদের ধস্তাধস্তিতে সেখানে জমে যায় অনেক মানুষ। কেউ কেউ মোবাইল ফোনে ভিডিও করতে থাকে এই ধস্তাধস্তি। কিন্তু কেউ এগিয়ে যায়নি তাদের ঝগড়া থামাতে। এর মধ্যে জসিম বের করে কিরিচ। সঙ্গে সঙ্গে ঢুকিয়ে দেয় হোসেনের পেটে। এরপর কোপ দেয় হোসেনের মাথায়।
প্রত্যক্ষদর্শী নয়ন নামের একজন জানান, রক্তাক্ত হোসেন একটি দোকানে বসে থাকলেও কেউ তাকে মেডিকেলে নিয়ে যাচ্ছিল না। তাই তিনিই সাহস করে হোসেনকে মেডিকেলে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। পথিমধ্যে ‘পানি, পানি’ বলে হোসেন নয়নের হাতেই মারা যায়। পরে নিহত হোসেনে লাশ দুপুর আড়াইটার পর মর্গ থেকে সরাইপাড়া নিয়ে যাওয়া হয়।
কলেজছাত্র নয়ন আরও জানান, মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশ তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে থানায় নিয়ে যায়। রাত ১২টায় ছেড়ে দেয়। তবে তথ্য জানার জন্য নিয়ে গেলেও নয়নের মতো এইসব পুলিশি ঝামেলার কারণে কেউ সাধারণত দুর্ঘটনার সময় এগিয়ে যায় না।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (পশ্চিম) জসিম উদ্দিন সরাসরি মন্তব্য না করে বলেন, এসব সমাজ গবেষকরা ভালো জানেন। এদিকে নিহত হোসেনের এলাকার মানুষরা জানান, তারা শুনেছেন, গেল উপ-নির্বাচিনের একটা টাকার ভাগ নিয়ে দুই বন্ধুর দ্বন্দ্ব ছিল।
এইউ