দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দীর্ঘ ১০ বছর পর পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গঠনতন্ত্রের ১৬ ও ২১ ধারা মোতাবেক আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর যুবলীগের উপজেলা সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। যুবলীগ জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শহিদুল ইসলাম ও সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মো. সোহেল স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি, সম্পাদক পদে জীবন বৃত্তান্ত আহ্বান করে জেলা যুবলীগ। বিগত ২৮ জুলাই উপজেলা যুবলীগের সম্মেলনের তারিখও নির্ধারণ করে জেলা যুবলীগ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্থগিত হয়ে যায় কলাপাড়া উপজেলা যুবলীগের ২৮ তারিখের সম্মেলন।
সূত্র জানায়, কলাপাড়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি-সম্পাদক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ পাওয়ায় পর থেকে অনেকটা নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে যুবলীগ। এরপর গত ১০ বছরেও তৃণমূলের কমিটি না হওয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে যুবলীগ নেতৃবৃন্দের যোগাযোগ হ্রাস পায়। এতে তৃণমূল থেকে উপজেলা পর্যন্ত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে সংগঠনটি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টিতে কেন্দ্রের নির্দেশনায় সম্মেলনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এতে চাঙ্গা হয়ে উঠতে শুরু করেছে যুবলীগ।
সভাপতি, সম্পাদক পদ বাগিয়ে নিতে পেশিশক্তি নিয়ে মাঠে নামতে শুরু করেছে সিরিজ বোমা হামলার আসামিরাও। যাদের হাতে দলের অসংখ্য নেতাকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। এরা পদ পেতে জেলা ও কেন্দ্রে লবিং শুরু করেছে। তবে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দাবি দক্ষ, পরিশ্রমী, ত্যাগী নেতাকর্মীকে পদ দেওয়া হোক। যাদের নেতৃত্বে ১০ বছরের নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়া যুবলীগ আগামী দিনে স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজপথে মোকাবেলা করতে পারে।
সূত্রটি আরও জানায়, যুবলীগের সভাপতি পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন মো. হুমায়ুন কবির, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. জিয়াউর রহমান, সৈয়দ জাকির হোসেন, সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু, জাকি হোসেন জুকু প্রমুখ।
উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মো. শফিকুল আলম বাবুল বলেন, 'উপজেলা যুবলীগ নিষ্ক্রিয় বলে যারা মন্তব্য করেছে তারা সংগঠনের কেউ না। ওরা হাইব্রিড।
জেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা উপজেলা সম্মেলনের পর কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তরে পদ প্রত্যাশীদের বায়োডাটা জমা দেব। যুবলীগ চেয়ারম্যান ও সম্পাদক মহোদয়ের সমন্বয়ে যাচাই বাছাই শেষে উপজেলা কমিটি অনুমোদন দেয়া হবে। অবশ্যই ত্যাগ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতা নির্বাচিত হবেন।
জেবি