দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গেল রোববার তিন বান্ধবী মিলে ঢাকা থেকে বেড়াতে আসে কক্সবাজার। তারা কলাতলীর সুগন্ধা পয়েন্টের হোটেল মেরিন প্লাজায় একটি কক্ষ ভাড়া নেয়। পরদিন রাত ১১টার দিকে সামুদ্রিক ভাজা মাছ খেতে যায় সুগন্ধা বীচ রোডে। সেখান থেকে ফেরার পথে রশিদ মিয়া ও মনিরুল ইসলাম ওরফে হারবদল একটি অটোরিকশা নিয়ে দুই বান্ধবীকে গতিরোধ করে জোর করে নিয়ে যায় হোটেল মোটেল জোনের রাজিউন কটেজে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় মহাজের পাড়ার শামীম।
হোটেলের দুটি কক্ষে দুই বান্ধবীকে রেখে সবাই মিলে এক বান্ধবীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। অপর বান্ধবী অসুস্থ থাকায় তাকে কেবল আটকে রাখে।
রাজিউন কটেজের পাশের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সে দিন রাতে এক নারীকে দ্বিগবিদিক ছুটাছুটি করতে দেখেছেন তিনি।
পরে গত ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় দুই বান্ধবীকে বাস টার্মিনাল নিয়ে চট্টগ্রামগামী মারসা গাড়িতে তুলে দেয়। পরে বাস রামু পৌঁছালে অসুস্থ হয়ে পড়লে বাস থেকে নেমে পড়ে মেয়েটি। অপর বান্ধবী চলে যায়। এরপর ভুক্তভোগী নারী রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়। পরে রামু হাসপাতালের চিকিৎসকরা পুলিশকে খবর দেয় এবং পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়।
ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে শামীম, রশিদ মিয়া, হারবদলের নাম উল্লেখ করে দুজনকে অজ্ঞাত রেখে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
ঘটনাটি সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত হলে কক্সবাজার সদর মডেল থানার একটি দল গিয়ে রাজিউন কটেজের ম্যানেজার সোহেল ও শামীমকে আটক করে।
এরপর গতকাল বৃহস্পতিবার রামুর রাবার বাগানে অভিযান চালিয়ে মামলার অপর আসামি হারবদলকে আটক করে র্যাব। হারবদল শহরের ঘোনার পাড়ার নূর আহম্মেদের ছেলে।
জেবি